মূল অংশে যান

মুয়াত্তা মালিক – খণ্ড ২০

২৫১টি হাদিস · পৃষ্ঠা ৩

  • ৮০৫সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، أَخْبَرَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ قَوْمَكِ حِينَ بَنَوُا الْكَعْبَةَ اقْتَصَرُوا عَنْ قَوَاعِدِ إِبْرَاهِيمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَفَلاَ تَرُدُّهَا عَلَى قَوَاعِدِ إِبْرَاهِيمَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَوْلاَ حِدْثَانُ قَوْمِكِ بِالْكُفْرِ لَفَعَلْتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ لَئِنْ كَانَتْ عَائِشَةُ سَمِعَتْ هَذَا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا أُرَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم تَرَكَ اسْتِلاَمَ الرُّكْنَيْنِ اللَّذَيْنِ يَلِيَانِ الْحِجْرَ إِلاَّ أَنَّ الْبَيْتَ لَمْ يُتَمَّمْ عَلَى قَوَاعِدِ إِبْرَاهِيمَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১০৭. আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি লক্ষ কর নাই, তোমার কওম কুরাইশগণ যখন কা'বা শরীফ পুনঃনির্মাণ করে তখন ইবরাহীম (আঃ) যে চৌহদ্দি নিয়া ইহা নির্মাণ করিয়াছিলেন ইহা হইতে কিছু কমাইয়া ফেলিয়াছিল? আয়েশা (রাঃ) বলিলেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইবরাহীম (আঃ) যেমন বানাইয়াছিলেন অদ্রপ আপনি বানাইয়া দিতেছেন না কেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তোমার কওমের কুফরির অবস্থা যদি অতি নিকট না হইত তবে নিশ্চয়ই আমি অদ্রপ বানাইয়া দিতাম। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ আয়েশা (রাঃ) যদি ইহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হইতে শুনিয়া থাকেন, আমার ধারণা এই কারণেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওয়াফের সময় হাতীম সংলগ্ন রুকনে শামী এবং রুকনে ইরাকী ইস্তিলাম করিতেন না, ছুইতেন না। কেননা ইবরাহীম (আঃ)-এর বুনিয়াদের উপর কা'বা শরীফের নির্মাণ হয় নাই।

  • ৮০৬সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، قَالَتْ مَا أُبَالِي أَصَلَّيْتُ فِي الْحِجْرِ أَمْ فِي الْبَيْتِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১০৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমি পরওয়া করি না, নামায হাতীমে আদায় করি বা কা'বার অভ্যন্তরে আদায় করি। (অর্থাৎ এই দুই স্থানের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে বলিয়া আমি মনে করি না। কেননা হাতীমও খানা-এ-কা'বার অংশ)।

  • ৮০৭সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ ابْنَ شِهَابٍ، يَقُولُ سَمِعْتُ بَعْضَ، عُلَمَائِنَا يَقُولُ مَا حُجِرَ الْحِجْرُ فَطَافَ النَّاسُ مِنْ وَرَائِهِ إِلاَّ إِرَادَةَ أَنْ يَسْتَوْعِبَ النَّاسُ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ كُلِّهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১০৯. মালিক (রহঃ) বলেন, তিনি ইবন শিহাব (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ কতিপয় আলিমের নিকট শুনিয়াছি তাহারা বলেনঃ হাতীমের পাশে দেয়াল উঠানোর এবং তাওয়াফের মধ্যে শামিল করার কারণ হইল ইহাতে সম্পূর্ণ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ যেন আদায় হইয়া যায়। (কেননা ইহাও বায়তুল্লাহর অংশ)।

  • ৮০৮সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَمَلَ مِنَ الْحَجَرِ الأَسْوَدِ حَتَّى انْتَهَى إِلَيْهِ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১০. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখিয়াছি, হাজরে আসওয়াদ হইতে আরম্ভ করিয়া হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তাওয়াফে (চক্করে) তিনি রমল করিয়াছেন।[1] মালিক (রহঃ) বলেনঃ আমাদের শহরস্থ আলিমদের অভিমত ইহাই।

  • ৮০৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَرْمُلُ مِنَ الْحَجَرِ الأَسْوَدِ إِلَى الْحَجَرِ الأَسْوَدِ ثَلاَثَةَ أَطْوَافٍ وَيَمْشِي أَرْبَعَةَ أَطْوَافٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১১. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হাজরে আসওয়াদ হইতে হাজরে আসওয়াদ পর্যন্ত তিন তাওয়াফে রমল করিতেন আর বাকি তাওয়াফগুলিতে সাধারণভাবে চলিতেন।

  • ৮১০সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ يَسْعَى الأَشْوَاطَ الثَّلاَثَةَ يَقُولُ اللَّهُمَّ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَا وَأَنْتَ تُحْيِي بَعْدَ مَا أَمَتَّا يَخْفِضُ صَوْتَهُ بِذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বলেনঃ তাহার পিতা যখন বায়তুল্লাহ্ তাওয়াফ করিতেন তখন তিন তাওয়াফে দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া চলিতেন এবং এই দো'আ পড়িতেনঃ (اللَّهُمَّ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَا وَأَنْتَ تُحْيِي بَعْدَ مَا أَمَتَّا) অর্থাৎ হে আল্লাহ, তুমি ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই, আর মৃত্যুর পর আমাদের যিন্দা করিবে তুমিই। এই দোআটি তিনি আস্তে আস্তে পড়িতেন।

  • ৮১১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ رَأَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ أَحْرَمَ بِعُمْرَةٍ مِنَ التَّنْعِيمِ - قَالَ - ثُمَّ رَأَيْتُهُ يَسْعَى حَوْلَ الْبَيْتِ الأَشْوَاطَ الثَّلاَثَةَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন যুবায়র (রাঃ)-কে তানয়ীম নামক স্থান হইতে উমরার ইহরাম বাঁধিতে দেখিয়াছেন এবং বায়তুল্লাহর চতুষ্পার্শ্বে প্রথম তিন তাওয়াফে রমল করিতে দেখিয়াছেন।

  • ৮১২সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا أَحْرَمَ مِنْ مَكَّةَ لَمْ يَطُفْ بِالْبَيْتِ وَلاَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يَرْجِعَ مِنْ مِنًى وَكَانَ لاَ يَرْمُلُ إِذَا طَافَ حَوْلَ الْبَيْتِ إِذَا أَحْرَمَ مِنْ مَكَّةَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১৪. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন মক্কা হইতে ইহরাম বাঁধিতেন তখন মীনা হইতে ফিরিয়া না আসা পর্যন্ত বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতেন না, রমলও করিতেন না।

  • ৮১৩সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا قَضَى طَوَافَهُ بِالْبَيْتِ وَرَكَعَ الرَّكْعَتَيْنِ وَأَرَادَ أَنْ يَخْرُجَ إِلَى الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ اسْتَلَمَ الرُّكْنَ الأَسْوَدَ قَبْلَ أَنْ يَخْرُجَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১৫. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাওয়াফ করার পর দুই রাকাআত নামায আদায় করিলেন। অতঃপর তিনি সাফা-মারওয়ার দিকে রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করিলেন, তখন তিনি হাজরে আসওয়াদ ইস্তিলাম[1] করিলেন।

  • ৮১৪যঈফ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ ‏"‏ كَيْفَ صَنَعْتَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ فِي اسْتِلاَمِ الرُّكْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ اسْتَلَمْتُ وَتَرَكْتُ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَصَبْتَ ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১৬. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবদুর রহমান ইবন আউফ (রাঃ)-কে বলিলেনঃ হে আবু মুহাম্মদ, কিরূপে তুমি হাজরে আসওয়াদে ইস্তিলাম কর? তিনি বলিলেনঃ কখনও ইস্তিলাম করিয়াছি আর কখনও করি নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তুমি ঠিক করিয়াছ।

  • ৮১৫সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، كَانَ إِذَا طَافَ بِالْبَيْتِ يَسْتَلِمُ الأَرْكَانَ كُلَّهَا وَكَانَ لاَ يَدَعُ الْيَمَانِيَ إِلاَّ أَنْ يُغْلَبَ عَلَيْهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৭. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) বর্ণনা করেন, তাহার পিতা উরওয়া বায়তুল্লাহর তাওয়াফ করার সময় সকল রুকনই ছুইতেন। বিশেষত একান্ত বাধ্য না হইলে রুকনে ইয়ামানীর ইস্তিলাম পরিত্যাগ করিতেন না।

  • ৮১৬সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ لِلرُّكْنِ الأَسْوَدِ إِنَّمَا أَنْتَ حَجَرٌ وَلَوْلاَ أَنِّي رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَبَّلَكَ مَا قَبَّلْتُكَ ثُمَّ قَبَّلَهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, বায়তুল্লাহর তাওয়াফের সময় উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) হাজরে আসওয়াদকে লক্ষ করিয়া বলিতেনঃ তুমি শুধু একখানা পাথর, লাভ-লোকসানের কোন ক্ষমতা তোমার নাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যদি তোমাকে চুমা দিতে না দেখিতাম তবে আমিও তোমাকে চুমা দিতাম না। অতঃপর তিনি হাজরে আসওয়াদ চুমা দিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কতিপয় আলিমকে বলিতে শুনিয়াছি, রুকনে ইয়ামানী ইস্তিলাম করিয়া হাত দ্বারা মুখ স্পর্শ করা মুস্তাহাব, সরাসরি উহাকে চুমা দিবে না।

  • ৮১৭সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ لاَ يَجْمَعُ بَيْنَ السُّبْعَيْنِ لاَ يُصَلِّي بَيْنَهُمَا وَلَكِنَّهُ كَانَ يُصَلِّي بَعْدَ كُلِّ سُبْعٍ رَكْعَتَيْنِ فَرُبَّمَا صَلَّى عِنْدَ الْمَقَامِ أَوْ عِنْدَ غَيْرِهِ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنِ الطَّوَافِ إِنْ كَانَ أَخَفَّ عَلَى الرَّجُلِ أَنْ يَتَطَوَّعَ بِهِ فَيَقْرُنَ بَيْنَ الأُسْبُوعَيْنِ أَوْ أَكْثَرَ ثُمَّ يَرْكَعُ مَا عَلَيْهِ مِنْ رُكُوعِ تِلْكَ السُّبُوعِ قَالَ لاَ يَنْبَغِي ذَلِكَ وَإِنَّمَا السُّنَّةُ أَنْ يُتْبِعَ كُلَّ سُبْعٍ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي الرَّجُلِ يَدْخُلُ فِي الطَّوَافِ فَيَسْهُو حَتَّى يَطُوفَ ثَمَانِيَةَ أَوْ تِسْعَةَ أَطْوَافٍ قَالَ يَقْطَعُ إِذَا عَلِمَ أَنَّهُ قَدْ زَادَ ثُمَّ يُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ وَلاَ يَعْتَدُّ بِالَّذِي كَانَ زَادَ وَلاَ يَنْبَغِي لَهُ أَنْ يَبْنِيَ عَلَى التِّسْعَةِ حَتَّى يُصَلِّيَ سُبْعَيْنِ جَمِيعًا لأَنَّ السُّنَّةَ فِي الطَّوَافِ أَنْ يُتْبِعَ كُلَّ سُبْعٍ رَكْعَتَيْنِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ شَكَّ فِي طَوَافِهِ بَعْدَ مَا يَرْكَعُ رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ فَلْيَعُدْ فَلْيُتَمِّمْ طَوَافَهُ عَلَى الْيَقِينِ ثُمَّ لِيُعِدِ الرَّكْعَتَيْنِ لأَنَّهُ لاَ صَلاَةَ لِطَوَافٍ إِلاَّ بَعْدَ إِكْمَالِ السُّبْعِ ‏.‏ وَمَنْ أَصَابَهُ شَىْءٌ بِنَقْضِ وُضُوئِهِ وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَوْ يَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ أَوْ بَيْنَ ذَلِكَ فَإِنَّهُ مَنْ أَصَابَهُ ذَلِكَ وَقَدْ طَافَ بَعْضَ الطَّوَافِ أَوْ كُلَّهُ وَلَمْ يَرْكَعْ رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ فَإِنَّهُ يَتَوَضَّأُ وَيَسْتَأْنِفُ الطَّوَافَ وَالرَّكْعَتَيْنِ وَأَمَّا السَّعْىُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَإِنَّهُ لاَ يَقْطَعُ ذَلِكَ عَلَيْهِ مَا أَصَابَهُ مِنِ انْتِقَاضِ وُضُوئِهِ وَلاَ يَدْخُلُ السَّعْىَ إِلاَّ وَهُوَ طَاهِرٌ بِوُضُوءٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১১৯. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি দুই সাবআর মাঝখানে নামায না পড়িয়া উভয়কে একত্র করিতেন না, বরং তিনি প্রত্যেক সাবআর পর দুই রাকাআত নামায পড়িতেন মাকামে ইবরাহীমের নিকট, আর কখনও পড়িতেন অন্যত্র।[1] মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ কেউ যদি কয়েক সাব্‌আর পর একত্রে সবগুলির নামায আদায় করে তবে তাহা জায়েয হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ জায়েয হইবে না। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাকাআত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ ভুল করিয়া যদি কেউ আট বা নয় চক্কর (তাওয়াফ) দিয়া ফেলে তবে যখনই মনে পড়িবে তাওয়াফ ছাড়িয়া দিবে এবং দুই রাকাআত নামায আদায় করিয়া নিবে। অতিরিক্ত তাওয়াফগুলি ধর্তব্যের বলিয়া মনে করিবে না এবং দুই সাবআ সমাধা করিয়া পরে একত্রে নামায আদায় করা সঙ্গত নহে। প্রতি সাবআর (সাত তাওয়াফ) সঙ্গে সঙ্গেই দুই রাকাআত নামায পড়া সুন্নত। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ করিয়া দুই রাকাআত নামায আদায় করার পর সাত তাওয়াফ (চক্কর) পুরা হয় নাই বলিয়া যদি কাহারও মনে সন্দেহ হয় তবে তাহাকে ইয়াকীন (দৃঢ় বিশ্বাস)-এর উপর ভিত্তি করিয়া তাওয়াফ পুরা করিয়া আবার দুই রাকাআত নামায আদায় করিতে হইবে। কারণ সাত চক্কর পূর্ণ করার পরই তাওয়াফের নামায পড়িতে হয়। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ বা সায়ী করার সময় যদি কাহারও ওযু নষ্ট হইয়া যায়, তবে ওযু করিয়া পুনরায় নূতন করিয়া তাওয়াফ করিবে এবং সায়ীর যে কয় চক্কর অবশিষ্ট ছিল তাহা পুরা করিবে।মালিক (রহঃ) বলেনঃ ওযু নষ্ট হওয়ার দরুন সায়ী বাতিল হয় না। তবে সায়ী শুরু করার সময় ওযু করিতে হয়।

  • ৮১৮সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَبْدٍ الْقَارِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، طَافَ بِالْبَيْتِ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ فَلَمَّا قَضَى عُمَرُ طَوَافَهُ نَظَرَ فَلَمْ يَرَ الشَّمْسَ طَلَعَتْ فَرَكِبَ حَتَّى أَنَاخَ بِذِي طُوًى فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২০. আবদুর রহমান ইবন আবদ আল-করিয়্যে[1] (রহঃ) ফজরের নামাযের পর উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বায়তুল্লাহর তওয়াফ করেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন তাওয়াফ শেষ করেন তখনও সূর্যোদয় হয় নাই। তিনি উটে আরোহণ করিয়া বাহিরে গেলেন এবং মী-তুয়া নামক স্থানে পৌছিয়া উট হইতে অবতরণ করিয়া দুই রাকাআত নামায আদায় করেন।

  • ৮১৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، أَنَّهُ قَالَ رَأَيْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبَّاسٍ يَطُوفُ بَعْدَ صَلاَةِ الْعَصْرِ ثُمَّ يَدْخُلُ حُجْرَتَهُ فَلاَ أَدْرِي مَا يَصْنَعُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২১. আবুয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে আসরের পর তাওয়াফ করিতে দেখিতে পাইলাম। তাওয়াফের পর হুজরায় চলিয়া গেলেন। জানি না সেখানে তিনি কি করিয়াছিলেন।

  • ৮২০সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، أَنَّهُ قَالَ لَقَدْ رَأَيْتُ الْبَيْتَ يَخْلُو بَعْدَ صَلاَةِ الصُّبْحِ وَبَعْدَ صَلاَةِ الْعَصْرِ مَا يَطُوفُ بِهِ أَحَدٌ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ طَافَ بِالْبَيْتِ بَعْضَ أُسْبُوعِهِ ثُمَّ أُقِيمَتْ صَلاَةُ الصُّبْحِ أَوْ صَلاَةُ الْعَصْرِ فَإِنَّهُ يُصَلِّي مَعَ الإِمَامِ ثُمَّ يَبْنِي عَلَى مَا طَافَ حَتَّى يُكْمِلَ سُبْعًا ثُمَّ لاَ يُصَلِّي حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ أَوْ تَغْرُبَ ‏.‏ قَالَ وَإِنْ أَخَّرَهُمَا حَتَّى يُصَلِّيَ الْمَغْرِبَ فَلاَ بَأْسَ بِذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلاَ بَأْسَ أَنْ يَطُوفَ الرَّجُلُ طَوَافًا وَاحِدًا بَعْدَ الصُّبْحِ وَبَعْدَ الْعَصْرِ لاَ يَزِيدُ عَلَى سُبْعٍ وَاحِدٍ وَيُؤَخِّرُ الرَّكْعَتَيْنِ حَتَّى تَطْلُعَ الشَّمْسُ كَمَا صَنَعَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ وَيُؤَخِّرُهُمَا بَعْدَ الْعَصْرِ حَتَّى تَغْرُبَ الشَّمْسُ فَإِذَا غَرَبَتِ الشَّمْسُ صَلاَّهُمَا إِنْ شَاءَ وَإِنْ شَاءَ أَخَّرَهُمَا حَتَّى يُصَلِّيَ الْمَغْرِبَ لاَ بَأْسَ بِذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২২. আবুয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বর্ণনা করেন, আমি দেখিয়াছি আসর ও ফজরের পর বায়তুল্লাহ খালি হইয়া পড়িত। ঐ সময় কোন তাওয়াফকারী থাকিত না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ শুরু করার পর ফজর বা আসরের জামাতের তাকবীর শুরু হইলে ইহা ত্যাগ করিয়া ইমামের সহিত নামাযে শামিল হওয়া উচিত। নামায পড়ার পর অবশিষ্ট তাওয়াফ পুরা করিবে। কিন্তু তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায ফজরের সময় সূর্যোদয় এবং আসরের সময় সূর্য অস্ত না যাওয়া পর্যন্ত পড়িবে না। মাগরিবের পর যদি উহা পড়ে তবে উহাতেও কোন দোষ নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সাত চক্করের উপর বৃদ্ধি না করিয়া যদি কোন ব্যক্তি ফজর ও আসরের পর তাওয়াফ করে এবং তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায সূর্যোদয়ের পর পড়িয়া নেয়, যেরূপ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) করিয়াছিলেন, ইহাতে কোন দোষ নাই। আর যদি আসরের পর তাওয়াফ করিয়া থাকে তবে সূর্য অস্ত যাওয়ার পূর্বে তাওয়াফের নামায পড়িবে না। সূর্যাস্তের পর ইচ্ছা করিলে তাওয়াফের দুই রাকাআত নামায পড়িয়া লইবে অথবা ইচ্ছা করিলে মাগরিবের নামায সমাপ্ত করার পর পড়িবে, ইহাতে কোন ক্ষতি নাই।

  • ৮২১সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، قَالَ لاَ يَصْدُرَنَّ أَحَدٌ مِنَ الْحَاجِّ حَتَّى يَطُوفَ بِالْبَيْتِ فَإِنَّ آخِرَ النُّسُكِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ فِي قَوْلِ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَإِنَّ آخِرَ النُّسُكِ الطَّوَافُ بِالْبَيْتِ إِنَّ ذَلِكَ - فِيمَا نُرَى وَاللَّهُ أَعْلَمُ - لِقَوْلِ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ‏}‏ وَقَالَ ‏{‏ثُمَّ مَحِلُّهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ‏}‏ فَمَحِلُّ الشَّعَائِرِ كُلِّهَا وَانْقِضَاؤُهَا إِلَى الْبَيْتِ الْعَتِيقِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৩. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করিয়া হাজীগণের কেউ যেন মক্কা হইতে না ফিরে। কারণ হজ্জের শেষ আমল হইল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ।[1] মালিক (রহঃ) বলেনঃ ‘শেষ আমল বায়তুল্লাহর তাওয়াফ উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর এই উক্তির অর্থ হইল, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করেনঃ ‏وَمَنْ يُعَظِّمْ شَعَائِرَ اللَّهِ فَإِنَّهَا مِنْ تَقْوَى الْقُلُوبِ‏ যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মর্যাদা দিবে উহা তাহার আল্লাহভীতি হইতেই উৎসারিত। এ সবকিছুরই সম্পর্ক বায়তুল্লাহর সঙ্গে। সুতরাং হজ্জের সমস্ত রুকন ও আমল বায়তুল্লাহতে যাইয়াই শেষ হয়।

  • ৮২২সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، ‏.‏ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، رَدَّ رَجُلاً مِنْ مَرِّ الظَّهْرَانِ لَمْ يَكُنْ وَدَّعَ الْبَيْتَ حَتَّى وَدَّعَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) এক ব্যক্তিকে মাররুয-যাহরান (মক্কা হইতে ১৮ মাইল দূরে অবস্থিত একটি স্থান) হইতে ফিরাইয়া দিয়াছিলেন। কারণ সে তাওয়াফুল বিদা করিয়া আসে নাই।

  • ৮২৩যঈফ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ مَنْ أَفَاضَ فَقَدْ قَضَى اللَّهُ حَجَّهُ فَإِنَّهُ إِنْ لَمْ يَكُنْ حَبَسَهُ شَىْءٌ فَهُوَ حَقِيقٌ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ وَإِنْ حَبَسَهُ شَىْءٌ أَوْ عَرَضَ لَهُ فَقَدْ قَضَى اللَّهُ حَجَّهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَلَوْ أَنَّ رَجُلاً جَهِلَ أَنْ يَكُونَ آخِرُ عَهْدِهِ الطَّوَافَ بِالْبَيْتِ حَتَّى صَدَرَ لَمْ أَرَ عَلَيْهِ شَيْئًا إِلاَّ أَنْ يَكُونَ قَرِيبًا فَيَرْجِعَ فَيَطُوفَ بِالْبَيْتِ ثُمَّ يَنْصَرِفَ إِذَا كَانَ قَدْ أَفَاضَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৫. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ তাওয়াফে ইফাযা (তাওয়াফে যিয়ারত) যে ব্যক্তি করিতে পারিয়াছে আল্লাহ তাহার হজ্জ পুরা করিয়া দিয়াছেন। পরে বিশেষ অসুবিধা দেখা না দিলে সে যেন তাওয়াফুল-বিদা'ও করিয়া নেয়। যদি কোন অসুবিধা দেখা দেয় এবং এই কারণে বিদায়ী তাওয়াফ করিতে না পারে তবে তাওয়াফে ইফাযা আদায় করায় হজ্জ তাহার পুরা হইয়া গিয়াছে। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফে যিয়ারত করার পর তাওয়াফুল বিদা জানা না থাকার দরুন যদি কেউ উহা না করিয়া মক্কা হইতে চলিয়া আসে তবে আর তাহার জন্য ফিরিয়া যাওয়া জরুরী নহে। তবে মক্কার নিকটবর্তী স্থানে থাকিলে পুনরায় গিয়া বিদায়ী-তাওয়াফ করিয়া নেওয়া উচিত।

  • ৮২৪সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا قَالَتْ شَكَوْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنِّي أَشْتَكِي فَقَالَ ‏"‏ طُوفِي مِنْ وَرَاءِ النَّاسِ وَأَنْتِ رَاكِبَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ فَطُفْتُ رَاكِبَةً بَعِيرِي وَرَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَئِذٍ يُصَلِّي إِلَى جَانِبِ الْبَيْتِ وَهُوَ يَقْرَأُ بِـ ‏{‏الطُّورِ وَكِتَابٍ مَسْطُورٍ ‏}‏‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৬. নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী উম্মে সালমা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আমার অসুস্থতার কথা জানাইলে তিনি বলিলেনঃ পুরুষদের পিছনে থাকিয়া কোন বাহনে আরোহণ করিয়া তোমার তাওয়াফ আদায় করিয়া নাও। উম্মে সালমা (রাঃ) বলেনঃ আমি তাওয়াফ করিলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন কা'বার এক কোণায় নামাযে দাঁড়াইয়া সূরা তুর পড়িতেছিলেন।

  • ৮২৫সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ الْمَكِّيِّ، أَنَّ أَبَا مَاعِزٍ الأَسْلَمِيَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ سُفْيَانَ، أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، كَانَ جَالِسًا مَعَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ فَجَاءَتْهُ امْرَأَةٌ تَسْتَفْتِيهِ فَقَالَتْ إِنِّي أَقْبَلْتُ أُرِيدُ أَنْ أَطُوفَ بِالْبَيْتِ حَتَّى إِذَا كُنْتُ بِبَابِ الْمَسْجِدِ هَرَقْتُ الدِّمَاءَ فَرَجَعْتُ حَتَّى ذَهَبَ ذَلِكَ عَنِّي ثُمَّ أَقْبَلْتُ حَتَّى إِذَا كُنْتُ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ هَرَقْتُ الدِّمَاءَ فَرَجَعْتُ حَتَّى ذَهَبَ ذَلِكَ عَنِّي ثُمَّ أَقْبَلْتُ حَتَّى إِذَا كُنْتُ عِنْدَ بَابِ الْمَسْجِدِ هَرَقْتُ الدِّمَاءَ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ إِنَّمَا ذَلِكَ رَكْضَةٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَاغْتَسِلِي ثُمَّ اسْتَثْفِرِي بِثَوْبٍ ثُمَّ طُوفِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৭. আবূয যুবায়র মক্কী (রহঃ) বলেনঃ আবা মায়িয আসলামী আবদুল্লাহ ইবন সুফইয়ান (রহঃ) তাহার নিকট বর্ণনা করিয়াছেন, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিকট বসা ছিলেন। তখন এক মহিলা আসিয়া বলিলঃ আমি বায়তুল্লাহর তাওয়াফের ইচ্ছা করিয়াছিলাম। মসজিদের দরওয়াজা পর্যন্ত পৌছিতেই আমার ঋতুস্রাব আরম্ভ হইল। এমতাবস্থায় আমি ফিরিয়া যাই। পরে ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে আবার তাওয়াফের জন্য আসি, কিন্তু মসজিদের দরওয়াজা পর্যন্ত পৌছিতেই আবার ঋতুস্রাব শুরু হইল। ফলে আবার ফিরিয়া গেলাম। শেষে ঋতুস্রাব বন্ধ হইলে আবার তাওয়াফ করিতে গেলাম। কিন্তু এইবারও দরওয়াজা পর্যন্ত যাইতে না যাইতে পুনরায় রক্ত দেখা দেয়। এখন কি করিব? আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিলেনঃ ইহা শয়তানের কাণ্ড! গোসল করিয়া লজ্জাস্থানে কাপড়ের পটি দিয়া তাওয়াফ সারিয়া নাও।

  • ৮২৬যঈফ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ بَلَغَهُ أَنَّ سَعْدَ بْنَ أَبِي وَقَّاصٍ، كَانَ إِذَا دَخَلَ مَكَّةَ مُرَاهِقًا خَرَجَ إِلَى عَرَفَةَ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ وَبَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ثُمَّ يَطُوفُ بَعْدَ أَنْ يَرْجِعَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَذَلِكَ وَاسِعٌ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ هَلْ يَقِفُ الرَّجُلُ فِي الطَّوَافِ بِالْبَيْتِ الْوَاجِبِ عَلَيْهِ يَتَحَدَّثُ مَعَ الرَّجُلِ فَقَالَ لاَ أُحِبُّ ذَلِكَ لَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ لاَ يَطُوفُ أَحَدٌ بِالْبَيْتِ وَلاَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ إِلاَّ وَهُوَ طَاهِرٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৮. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, সা'দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) মক্কায় পৌছিয়া যদি দেখিতেন নয় তারিখ অতি নিকটবর্তী (সময় অতি অল্প), তবে তাওয়াফ ও সায়ী করার পূর্বেই আরাফাতে চলিয়া যাইতেন এবং সেখান হইতে ফিরিবার পর তাওয়াফ করিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ সময় সংকীর্ণ হইলে এইরূপ করা (আরাফাতে প্রথমে যাওয়া) জায়েয। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ ওয়াজিব তাওয়াফ আদায় করার সময় কাহারও সঙ্গে কথা বলার জন্য কি থামিয়া যাওয়া বৈধ? তিনি বলিলেনঃ আমি উহা পছন্দ করি না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার সায়ী পবিত্রতার সহিত করা উচিত।

  • ৮২৭যঈফ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ حِينَ خَرَجَ مِنَ الْمَسْجِدِ وَهُوَ يُرِيدُ الصَّفَا وَهُوَ يَقُولُ ‏ "‏ نَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَبَدَأَ بِالصَّفَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১২৯. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদ হইতে সাফার উদ্দেশ্যে যখন বাহির হইলেন তখন শুনিয়াছি, তিনি বলিতেছেনঃ আল্লাহ যে স্থানটির উল্লেখ প্রথমে করিয়াছিলেন আমরাও সেই স্থান হইতে শুরু করিব। অতঃপর তিনি সাফা হইতে সায়ী করা শুরু করেন।

  • ৮২৮সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا وَقَفَ عَلَى الصَّفَا يُكَبِّرُ ثَلاَثًا وَيَقُولُ ‏ "‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ ‏"‏ ‏.‏ يَصْنَعُ ذَلِكَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ وَيَدْعُو وَيَصْنَعُ عَلَى الْمَرْوَةِ مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩০. জাবির ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সাফায় গিয়া দাঁড়াইতেন তখন তিনবার ‘আল্লাহু আকবর’ বলিতেন এবং এই দু'আ পড়িতেনঃ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ অর্থাৎ, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, তাহার কোন শরীক নাই, সকল সাম্রাজ্য, ক্ষমতা এবং সকল প্রশংসা শুধু তাহারই, আর তিনি সকল বস্তুর উপর ক্ষমতাশীল। তিনবার ইহা পড়িয়া পরে দুআ করিতেন। মারওয়া পাহাড়েও তিনি এইরূপ করিতেন।

  • ৮২৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَهُوَ عَلَى الصَّفَا يَدْعُو يَقُولُ اللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ وَإِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلإِسْلاَمِ أَنْ لاَ تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩১. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে সাফার উপর দাঁড়াইয়া এই দুআ পড়িতে শুনিয়াছেনঃ اللَّهُمَّ إِنَّكَ قُلْتَ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ وَإِنَّكَ لاَ تُخْلِفُ الْمِيعَادَ وَإِنِّي أَسْأَلُكَ كَمَا هَدَيْتَنِي لِلإِسْلاَمِ أَنْ لاَ تَنْزِعَهُ مِنِّي حَتَّى تَتَوَفَّانِي وَأَنَا مُسْلِمٌ অর্থাৎ, হে আল্লাহ! আপনি বলিয়াছেনঃ আমার কাছে চাও, আমি তাহা কবুল করিব। আর আপনি কখনও ওয়াদা খেলাফ করেন না। এখন আপনার নিকটই আমি চাহিতেছি, আমাকে যেরূপ ইসলামের দিকে হিদায়াত করিয়াছেন উহা আমার নিকট হইতে ছিনাইয়া নিবেন না। আমার মৃত্যু পর্যন্ত আমি মুসলিম হিসাবে আপনার অনুগত বান্দা হইয়াই যেন থাকি।

  • ৮৩০সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ، حَدِيثُ السِّنِّ أَرَأَيْتِ قَوْلَ اللَّهِ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا‏}‏ فَمَا عَلَى الرَّجُلِ شَىْءٌ أَنْ لاَ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏.‏ فَقَالَتْ عَائِشَةُ كَلاَّ لَوْ كَانَ كَمَا تَقُولُ لَكَانَتْ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لاَ يَطَّوَّفَ بِهِمَا إِنَّمَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ فِي الأَنْصَارِ كَانُوا يُهِلُّونَ لِمَنَاةَ وَكَانَتْ مَنَاةُ حَذْوَ قُدَيْدٍ وَكَانُوا يَتَحَرَّجُونَ أَنْ يَطُوفُوا بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَلَمَّا جَاءَ الإِسْلاَمُ سَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَبَارَكَ وَتَعَالَى ‏{‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏}‏

    রেওয়ায়ত ১৩২. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি বলিয়াছেন, আমি উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম (তখন আমি অল্প বয়স্ক), দেখুন, আল্লাহ তা'আলা ইরশাদ করিয়াছেনঃ (‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ) সুতরাং যে কেউ বাইতুল্লাহর হজ্জ বা উমরা করিবে তাহার জন্য এই দুইটির মধ্যে সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই- তাই কেউ যদি সায়ী না করে তবে ইহাতে তাহার গুনাহ হইবে কি? তিনি বলিলেনঃ সাবধান, তুমি যাহা বুঝিয়াছ তাহা ঠিক নহে। তাহাই যদি হইত তবে আয়াতে বলার ভঙ্গী হইত- এই দুইয়ের মধ্যে সায়ী না করায় কোন গুনাহ নাই। (অথচ আল্লাহ্ তা'আলা বলিয়াছেনঃ সায়ী করায় কোন গুনাহ নাই।) এই আয়াতটি মূলত আনসারদের ব্যাপারে নাযিল হইয়াছিল। ইহারা জাহিলী যুগে মানাতের উদ্দেশ্যে ইহরাম বাধিয়া হজ্জের নিয়তে আসিত। মক্কার পথে কুদায়দ নামক স্থানের বিপরীতে ছিল ওদের দেবী মানাত। সাফা-মারওয়ায় সায়ী করা তাহারা মনে করিত গুনাহর কাজ। ইসলাম আসার পর তাহারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এই সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে, তখন নাযিল হয় এই আয়াতঃ ‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا অর্থাৎ, সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। সুতরাং যে কেহ কাবা গৃহের হজ্জ কিংবা উমরা সম্পন্ন করে এই দুইটির মধ্যে যাতায়াত করিলে তাহার কোন পাপ নাই। (বাকারাঃ)

  • ৮৩১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ سَوْدَةَ بِنْتَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، كَانَتْ عِنْدَ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ فَخَرَجَتْ تَطُوفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ مَاشِيَةً وَكَانَتِ امْرَأَةً ثَقِيلَةً فَجَاءَتْ حِينَ انْصَرَفَ النَّاسُ مِنَ الْعِشَاءِ فَلَمْ تَقْضِ طَوَافَهَا حَتَّى نُودِيَ بِالأُولَى مِنَ الصُّبْحِ فَقَضَتْ طَوَافَهَا فِيمَا بَيْنَهَا وَبَيْنَهُ ‏.‏ وَكَانَ عُرْوَةُ إِذَا رَآهُمْ يَطُوفُونَ عَلَى الدَّوَابِّ يَنْهَاهُمْ أَشَدَّ النَّهْىِ فَيَعْتَلُّونَ بِالْمَرَضِ حَيَاءً مِنْهُ فَيَقُولُ لَنَا فِيمَا بَيْنَنَا وَبَيْنَهُ لَقَدْ خَابَ هَؤُلاَءِ وَخَسِرُوا ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ مَنْ نَسِيَ السَّعْىَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فِي عُمْرَةٍ فَلَمْ يَذْكُرْ حَتَّى يَسْتَبْعِدَ مِنْ مَكَّةَ أَنَّهُ يَرْجِعُ فَيَسْعَى وَإِنْ كَانَ قَدْ أَصَابَ النِّسَاءَ فَلْيَرْجِعْ فَلْيَسْعَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ حَتَّى يُتِمَّ مَا بَقِيَ عَلَيْهِ مِنْ تِلْكَ الْعُمْرَةِ ثُمَّ عَلَيْهِ عُمْرَةٌ أُخْرَى وَالْهَدْىُ ‏.‏ وَسُئِلَ مَالِكٌ عَنِ الرَّجُلِ يَلْقَاهُ الرَّجُلُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَيَقِفُ مَعَهُ يُحَدِّثُهُ فَقَالَ لاَ أُحِبُّ لَهُ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَمَنْ نَسِيَ مِنْ طَوَافِهِ شَيْئًا أَوْ شَكَّ فِيهِ فَلَمْ يَذْكُرْ إِلاَّ وَهُوَ يَسْعَى بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَإِنَّهُ يَقْطَعُ سَعْيَهُ ثُمَّ يُتِمُّ طَوَافَهُ بِالْبَيْتِ عَلَى مَا يَسْتَيْقِنُ وَيَرْكَعُ رَكْعَتَىِ الطَّوَافِ ثُمَّ يَبْتَدِئُ سَعْيَهُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৩. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর কন্যা সাওদা (রহঃ) ছিলেন উরওয়াহ ইবন যুবায়র (রহঃ)-এর স্ত্রী। একবার হজ্জ বা উমরার সময় তিনি সাফা-মারওয়ার সায়ীর জন্য বাহির হন। তিনি মোটা ধরনের মহিলা ছিলেন। ইশার নামায পড়িয়া মানুষ যখন বাহির হইয়াছিল তখন তিনি হাঁটিয়া হাঁটিয়া হজ্জ অথবা উমরার তাওয়াফ ও সায়ী শুরু করিয়াছিলেন। কিন্তু তখনও সায়ী শেষ হইতে পারে নাই, আর এইদিকে ফজরের আযান হইয়া যায়। সায়ী শেষ করিতে তাহার ইশা হইতে ফজর পর্যন্ত সময় লাগিয়াছিল। উরওয়াহ কাহাকেও কোন কিছুতে আরোহণ করিয়া সায়ী করিতে দেখিলে কঠোরভাবে নিষেধ করিতেন। লোকেরা তাহাকে দেখিলে অসুস্থতার বাহানা করিত। তিনি পরে আমাদের নিকট আলাপে বলিতেনঃ ইহারা (যাহারা সওয়ার হইয়া সায়ী করে) ক্ষতিগ্রস্ত, তাহারা স্বীয় উদ্দেশ্য হাসিল করিতে পারে নাই। মালিক (রহঃ) বলেনঃ উমরা করার সময় সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতে যদি ভুলিয়া যায় এবং মক্কা হইতে দূরে চলিয়া যাওয়ার পর ইহা স্মরণ হইলে তাহাকে পুনরায় মক্কায় আসিয়া সায়ী করিতে হইবে। আর ইহার মধ্যে স্ত্রী সহবাস করিয়া থাকিলে তবে ফিরিয়া আসিয়া সায়ী করিবে এবং দ্বিতীয়বার উমরা করিবে এবং হাদয়ী কুরবানী দিবে। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইলঃ সায়ী করার সময় যদি কেউ কাহারও সঙ্গে দাঁড়াইয়া কথা বলিতে শুরু করে তবে কেমন হইবে? তিনি বলিলেনঃ আমি ইহাকে পছন্দ করি না। মালিক (রহঃ) বলেনঃ কেউ যদি তাওয়াফ করিতে গিয়া কোন চক্কর ভুলিয়া যায় বা এই সম্পর্কে তাহার সন্দেহ হয়, পরে সায়ী করার সময় যদি তাহার উহা খেয়াল হয় তবে সায়ী মওকুফ করিয়া দিবে এবং প্রথমে ইয়াকীনের উপর ভিত্তি করিয়া তাওয়াফ পুরা করিয়া দুই রাকাআত তাওয়াফের নামায পড়িয়া নুতনভাবে সায়ী করিবে।

  • ৮৩২সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا نَزَلَ مِنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ مَشَى حَتَّى إِذَا انْصَبَّتْ قَدَمَاهُ فِي بَطْنِ الْوَادِي سَعَى حَتَّى يَخْرُجَ مِنْهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৪. জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) বর্ণনা করেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা ও মারওয়াতে সায়ী করিতে আসিলে সাধারণভাবে হাঁটিতেন, মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে (বাতনে ওয়াদী) যখন চলিতেন তখন ইহা হইতে বাহির না হওয়া পর্যন্ত দ্রুত চলিতেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ যে ব্যক্তি অজ্ঞতার কারণে তাওয়াফের পূর্বে সায়ী করিয়া ফেলে তবে সে ফিরিয়া আসিয়া তাওয়াফ করার পর পুনরায় সায়ী করিবে। তাওয়াফের কথা তুলিয়া মক্কা হইতে দূরে চলিয়া গেলে যত দূরেই যাক তাহাকে ফিরিয়া আসিতে হইবে এবং বায়তুল্লাহর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার সায়ী করিতে হইবে। আর স্ত্রী সহবাস করিয়া থাকিলে তবে ফিরিয়া আসিয়া তাওয়াফ ও সায়ী করিতে হইবে এবং উমরার বাকি কার্যাদি সমাধা করিবে। তাহার পক্ষে পুনরায় উমরা করা এবং হাদয়ী কুরবানী করা ওয়াজিব।

  • ৮৩৩সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ عُمَيْرٍ، مَوْلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ بِنْتِ الْحَارِثِ، أَنَّ نَاسًا، تَمَارَوْا عِنْدَهَا يَوْمَ عَرَفَةَ فِي صِيَامِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ بَعْضُهُمْ هُوَ صَائِمٌ وَقَالَ بَعْضُهُمْ لَيْسَ بِصَائِمٍ فَأَرْسَلْتُ إِلَيْهِ بِقَدَحِ لَبَنٍ وَهُوَ وَاقِفٌ عَلَى بَعِيرِهِ فَشَرِبَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৫. হারিস তনয়া উম্মুল ফযল (রাঃ) বর্ণনা করেন- আরাফাত দিবসে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রোযাদার কিনা এই সম্পর্কে কতিপয় সাহাবী আমার নিকট আসিয়া তাহাদের সন্দেহ প্রকাশ করেন। কেউ কেউ বলিয়াছেন, তিনি রোযা রাখিয়াছেন, কেউ কেউ বলিলেন, আজ রোযা রাখেন নাই। উম্মুল ফযল (রাঃ) তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমতে একটি দুধভর্তি পেয়ালা পাঠাইলেন। তিনি তাহা পান করিলেন। তখন তিনি আরাফাতে একটি উটের উপর আসীন ছিলেন।

  • ৮৩৪সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَّ عَائِشَةَ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ، كَانَتْ تَصُومُ يَوْمَ عَرَفَةَ ‏.‏ قَالَ الْقَاسِمُ وَلَقَدْ رَأَيْتُهَا عَشِيَّةَ عَرَفَةَ يَدْفَعُ الإِمَامُ ثُمَّ تَقِفُ حَتَّى يَبْيَضَّ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ النَّاسِ مِنَ الأَرْضِ ثُمَّ تَدْعُو بِشَرَابٍ فَتُفْطِرُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৬. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) বর্ণনা করেনঃ উম্মুল মু'মিনীন আয়েশা (রাঃ) আরাফাত দিবসে রোযা রাখিতেন। কাসিম ইবন মুহাম্মদ বলেনঃ আমি তাহাকে (আয়েশা (রাঃ)-কে আরাফাত দিবসে সন্ধ্যায় দেখিয়াছি, ইমামের (আমীরুল মু'মিনীন) প্রত্যাবর্তনের পরও তিনি [আয়েশা (রাঃ)] অপেক্ষা করিলেন এবং পরে ভিড় কমিয়া পথ পরিষ্কার হইলে পানি আনাইয়া ইফতার করিলেন।

  • ৮৩৫সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْر��، مَوْلَى عُمَرَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، ‏.‏ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ أَيَّامِ مِنًى ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৭. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আইয়্যামে তাশরীকে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন।

  • ৮৩৬সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ حُذَافَةَ أَيَّامَ مِنًى يَطُوفُ يَقُولُ إِنَّمَا هِيَ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ وَذِكْرِ اللَّهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৮. ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মিনার দিবসগুলিতে আবদুল্লাহ ইবন হুযাফা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুরিয়া ফিরিয়া ঘোষণা প্রচার করিতে বলিলেনঃ খাওয়া, পান করা আর আল্লাহর স্মরণের জন্য এই দিনগুলি।

  • ৮৩৭সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৩৯. আবু হুৱায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইদিন রোযা রাখতে নিষেধ করিয়াছেন- ঈদুল ফিতরের দিন আর ঈদুল আযহার দিন।

  • ৮৩৮সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِي، عَنْ أَبِي مُرَّةَ، مَوْلَى أُمِّ هَانِئٍ أُخْتِ عَقِيلِ بْنِ أَبِي طَالِبٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، دَخَلَ عَلَى أَبِيهِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ فَوَجَدَهُ يَأْكُلُ قَالَ فَدَعَانِي قَالَ فَقُلْتُ لَهُ إِنِّي صَائِمٌ ‏.‏ فَقَالَ هَذِهِ الأَيَّامُ الَّتِي نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِهِنَّ وَأَمَرَنَا بِفِطْرِهِنَّ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪০. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রহঃ) তাহার পিতা আমর ইবনু আস (রাঃ)-এর নিকট গেলেন। দেখিতে পাইলেন তিনি আহার করিতেছেন, আবদুল্লাহকেও তিনি ডাকিলেন। আমি বলিলামঃ আমি আজ রোযা আছি। তিনি বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেই দিনে রোযা রাখিতে নিষেধ করিয়াছেন সেই দিনগুলিতে তুমি রোযা রাখিলে! পরে তিনি আবদুল্লাহকে রোযা ভাঙিয়া ফেলিতে হুকুম করিলেন। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই দিনগুলি হইতেছে আইয়্যামে তাশরীক, (যিলহজ্জ মাসের ১১, ১২ এবং ১৩ তারিখ) যেগুলিতে আমর ইবনু আস (রাঃ) তাহার পুত্রকে রোযা রাখতে নিষেধ করিলেন।

  • ৮৩৯সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَهْدَى جَمَلاً كَانَ لأَبِي جَهْلِ بْنِ هِشَامٍ فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪১. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর ইবন হাযম (রহঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জ বা উমরাতে একটি উট যাহা পূর্বে (আবু জাহল ইবন হিশামের ছিল) হাদয়ী হিসাবে পঠাইয়াছিলেন।

  • ৮৪০সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَأَى رَجُلاً يَسُوقُ بَدَنَةً فَقَالَ ‏"‏ ارْكَبْهَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهَا بَدَنَةٌ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ ارْكَبْهَا وَيْلَكَ ‏"‏ ‏.‏ فِي الثَّانِيَةِ أَوِ الثَّالِثَةِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪২. আবু হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে একটি কুরবানীর উট হাকাইয়া নিয়া যাইতে দেখিতে পাইয়া বলিলেনঃ ইহার উপর আরোহণ কর। সে বলিলঃ হে আল্লাহর রাসূল, ইহা তো কুরবানীর উদ্দেশ্যে নিয়া যাইতেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ তোমার অনিষ্ট হউক, আরোহণ কর। এই কথা তিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় বারে বলিয়াছিলেন।

  • ৮৪১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ كَانَ يَرَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يُهْدِي فِي الْحَجِّ بَدَنَتَيْنِ بَدَنَتَيْنِ وَفِي الْعُمْرَةِ بَدَنَةً بَدَنَةً ‏.‏ قَالَ وَرَأَيْتُهُ فِي الْعُمْرَةِ يَنْحَرُ بَدَنَةً وَهِيَ قَائِمَةٌ فِي دَارِ خَالِدِ بْنِ أَسِيدٍ وَكَانَ فِيهَا مَنْزِلُهُ ‏.‏ قَالَ وَلَقَدْ رَأَيْتُهُ طَعَنَ فِي لَبَّةِ بَدَنَتِهِ حَتَّى خَرَجَتِ الْحَرْبَةُ مِنْ تَحْتِ كَتِفِهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৩. আবদুল্লাহ্ ইবন দীনার (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হজ্জের সময় দুইটি করিয়া আর উমরার সময় একটি করিয়া কুরবানী দিতেন। আমি তাহাকে খালিদ ইবন আসীদের স্বরে বাঁধা তাঁহার উমরার কুরবানীর উটটিকে নাহর করিতে দেখিয়াছি। আমি উমরার সময় দেখিয়াছি তাহার কুরবানীর উটের উপর এমন জোরে বর্শা মারিয়াছিলেন (নাহর করার জন্য) যে, উহা ভেদ করিয়া অপরদিকে গিয়া ঘাড়ের নিচ দিকে বাহির হইয়া গিয়াছিল।

  • ৮৪২সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَهْدَى جَمَلاً فِي حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৪. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করেন, উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) হজ্জ কিংবা উমরার সময় একটি উট হাদয়ী হিসাবে প্রেরণ করিয়াছিলেন।

  • ৮৪৩সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي جَعْفَرٍ الْقَارِئِ، ‏.‏ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَيَّاشِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ الْمَخْزُومِيَّ، أَهْدَى بَدَنَتَيْنِ إِحْدَاهُمَا بُخْتِيَّةٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৫. আবূ জাফর কারী (রহঃ) বর্ণনা করেন- আবদুল্লাহ ইবন আইয়াশ ইবন আবি রবী'আ মাখযূমী দুইটি উটের কুরবানী করিয়াছিলেন। ইহার মধ্যে একটি বুখতী ধরনের উষ্ট্রীও ছিল।

  • ৮৪৪সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِذَا نُتِجَتِ النَّاقَةُ فَلْيُحْمَلْ وَلَدُهَا حَتَّى يُنْحَرَ مَعَهَا فَإِنْ لَمْ يُوجَدْ لَهُ مَحْمَلٌ حُمِلَ عَلَى أُمِّهِ حَتَّى يُنْحَرَ مَعَهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৬. নাফি’ (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ কুরবানীর উদ্দেশ্যে প্রেরিত উষ্ট্রীর যদি বাচ্চা পয়দা হয় তবে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকেও কুরবানীর জন্য লইয়া যাওয়া হইবে। লইয়া যাওয়ার জন্য যদি কোন যানবাহন না পাওয়া যায় তবে বাচ্চাটিকে মার উপর চাপাইয়া লইয়া যাওয়া হইবে, যাহাতে মার সঙ্গে বাচ্চাটিকে নাহর করা যায়।

  • ৮৪৫সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، أَنَّ أَبَاهُ، قَالَ إِذَا اضْطُرِرْتَ إِلَى بَدَنَتِكَ فَارْكَبْهَا رُكُوبًا غَيْرَ فَادِحٍ وَإِذَا اضْطُرِرْتَ إِلَى لَبَنِهَا فَاشْرَبْ بَعْدَ مَا يَرْوَى فَصِيلُهَا فَإِذَا نَحَرْتَهَا فَانْحَرْ فَصِيلَهَا مَعَهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৭. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) বলেন- আমার পিতা উরওয়াহ (রহঃ) বলিতেনঃ কুরবানীর উদ্দেশ্যে নীত কুরবানীর পশুর উপর প্রয়োজন হইলে আরোহণ করিতে পার। তবে এইভাবে ব্যবহার করিবে না যে, উহার কোমর ভঙিয়া যায়। দুধের প্রয়োজন হইলে ইহার বাচ্চ পরিতৃপ্ত হইয়া খাওয়ার পর (অবশিষ্ট দুধ) পান করিতে পর, আর ইহাকে নাহর করার সময় বাচ্চাটিকেও নাহর করিতে হইবে।

  • ৮৪৬সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ إِذَا أَهْدَى هَدْيًا مِنَ الْمَدِينَةِ قَلَّدَهُ وَأَشْعَرَهُ بِذِي الْحُلَيْفَةِ يُقَلِّدُهُ قَبْلَ أَنْ يُشْعِرَهُ وَذَلِكَ فِي مَكَانٍ وَاحِدٍ وَهُوَ مُوَجَّهٌ لِلْقِبْلَةِ يُقَلِّدُهُ بِنَعْلَيْنِ وَيُشْعِرُهُ مِنَ الشِّقِّ الأَيْسَرِ ثُمَّ يُسَاقُ مَعَهُ حَتَّى يُوقَفَ بِهِ مَعَ النَّاسِ بِعَرَفَةَ ثُمَّ يَدْفَعُ بِهِ مَعَهُمْ إِذَا دَفَعُوا فَإِذَا قَدِمَ مِنًى غَدَاةَ النَّحْرِ نَحَرَهُ قَبْلَ أَنْ يَحْلِقَ أَوْ يُقَصِّرَ وَكَانَ هُوَ يَنْحَرُ هَدْيَهُ بِيَدِهِ يَصُفُّهُنَّ قِيَامًا وَيُوَجِّهُهُنَّ إِلَى الْقِبْلَةِ ثُمَّ يَأْكُلُ وَيُطْعِمُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৮. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) মদীনা হইতে যখন কুরবানীর পশু (হাদয়ী) নিয়া যাইতেন তখন যুল-হুলায়ফা পৌছিয়া ইহার গলায় চিহ্নের জন্য কিছু একটা লটকাইয়া দিতেন এবং সেখানেই উহার ইশআর (কাঁধের চামড়া যখম করিয়া রক্ত মাখাইয়া দেওয়া) করিতেন। প্রথমে ঐ পশুটির মুখ কিবলার দিকে করিয়া ইহার গলায় দুইটি জুতা লটকাইয়া দিতেন, পরে বাম দিকের কাঁধের চামড়া চিরিয়া উহা রক্তাক্ত করিতেন এবং নিজের সঙ্গে উহা হাঁকাইয়া নিয়া চলিতেন। আরাফাতে পৌছিয়া সকলে যেখানে অবস্থান করিতেন, তিনিও সেখানে অবস্থান করিতেন। সকলেই যখন ফিরিয়া আসিত কুরবানীর পশুটিও সঙ্গে ফিরিত। ইয়াওমুন নাহরের সকালে মিনায় পৌছিয়া মাথা কামানো বা চুল ছাটার পূর্বেই কুরবানীর পশুটি নাহর করিতেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) স্বীয় কুরবানীর পশুটি স্বহস্তে নাহর করিতেন। কিবলামুখ করিয়া প্রথমে কুরবানীর পশুগুলি কাতার করাইয়া দাঁড় করাইতেন, পরে এইগুলি নাহর করিতেন এবং এই গোশত নিজেও খাইতেন এবং অন্যদেরকেও খাওয়াইতেন।

  • ৮৪৭সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا طَعَنَ فِي سَنَامِ هَدْيِهِ وَهُوَ يُشْعِرُهُ قَالَ بِسْمِ اللَّهِ وَاللَّهُ أَكْبَرُ ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ৮৪৮সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ الْهَدْىُ مَا قُلِّدَ وَأُشْعِرَ وَوُقِفَ بِهِ بِعَرَفَةَ ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ৮৪৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يُجَلِّلُ بُدْنَهُ الْقُبَاطِيَّ وَالأَنْمَاطَ وَالْحُلَلَ ثُمَّ يَبْعَثُ بِهَا إِلَى الْكَعْبَةِ فَيَكْسُوهَا إِيَّاهَا ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৪৯. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইশআর করার উদ্দেশ্যে যখন কুরবানীর উটের কুঁজে যখম করিতেন তখন বিসমিল্লাহি ওয়াল্লাহু আকবার বলিতেন। নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ কাদয়ী হইল সেই পশু যাহার গলায় হার লটকানো হইয়াছে, যাহার কুঁজ চিরিয়া যখম করা হইয়াছে এবং আরাফাতের ময়দানে নিয়া দাঁড় করানো হইয়াছে। নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কুরবানীর উটসমূহকে মিসরীয় কুবাতি ও আনমাত কাপড় পরাইতেন। কুরবানীর পর কাপড়সমূহ বায়তুল্লাহর গিলাফ হিসাবে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যে পাঠাইয়া দিতেন। মালিক (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন সীনার (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করিয়াছিলেনঃ পরে বায়তুল্লাহর জন্য যখন আলাদা গিলাফ বানাইয়া নেওয়া হইল তখন আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) কুরবানীর উটসমূহের এই কাপড়-চোপড় কি করিতেন? তিনি বলিলেনঃ এইগুলি তিনি তখন খয়রাত করিয়া দিতেন।

  • ৮৫০সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ دِينَارٍ مَا كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ يَصْنَعُ بِجِلاَلِ بُدْنِهِ حِينَ كُسِيَتِ الْكَعْبَةُ هَذِهِ الْكِسْوَةَ قَالَ كَانَ يَتَصَدَّقُ بِهَا ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ৮৫১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ فِي الضَّحَايَا وَالْبُدْنِ الثَّنِيُّ فَمَا فَوْقَهُ ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ৮৫২সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ لاَ يَشُقُّ جِلاَلَ بُدْنِهِ وَلاَ يُجَلِّلُهَا حَتَّى يَغْدُوَ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ৮৫৩সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِبَنِيهِ يَا بَنِيَّ لاَ يُهْدِيَنَّ أَحَدُكُمْ مِنَ الْبُدْنِ شَيْئًا يَسْتَحْيِي أَنْ يُهْدِيَهُ لِكَرِيمِهِ فَإِنَّ اللَّهَ أَكْرَمُ الْكُرَمَاءِ وَأَحَقُّ مَنِ اخْتِيرَ لَهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫০. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ কুরবানীর উট পাঁচ বা ততোধিক বৎসর বয়সের হইতে হইবে। নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) তাহার কুরবানীর উটের কাপড়-চোপড় মিনা আরাফাতে না যাওয়া পর্যন্ত ছিড়িতেন না বা পরাইতেন না। হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, তিনি স্বীয় পুত্রগণকে বলিতেনঃ বৎসগণ আল্লাহর নামে তোমরা এমন উট কুরবানী দিও না একজন দোস্তকে যাহা দিতে লজ্জা কর। আল্লাহ্ তাআলা সবচাইতে সম্মানিত। সুতরাং সর্বোত্তম বস্তুই তাহার জন্য নির্বাচন করা উচিত।

  • ৮৫৪সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ صَاحِبَ، هَدْىِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ أَصْنَعُ بِمَا عَطِبَ مِنَ الْهَدْىِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ كُلُّ بَدَنَةٍ عَطِبَتْ مِنَ الْهَدْىِ فَانْحَرْهَا ثُمَّ أَلْقِ قِلاَدَتَهَا فِي دَمِهَا ثُمَّ خَلِّ بَيْنَهَا وَبَيْنَ النَّاسِ يَأْكُلُونَهَا ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ১৫১. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাদয়ী নিয়া যাইতেছিল সেই ব্যক্তি তাহাকে বলিলঃ পথে যদি হাদয়ীর কোন একটি মারা যাওয়ার উপক্রম হয় তবে কি করিব? তিনি বলিলেন, এমন হইতে দেখিলে ঐ পশুটিকে 'নাহর' করিয়া গলায় বাধা হারটি রক্ত মাখাইয়া রাখিয়া দিবে। ইহাতে লোকগণ ইহার গোশত খাইয়া নিতে পরিবে।

মুয়াত্তা মালিক – খণ্ড ২০ (পৃষ্ঠা ৩) | উল্কা ইসলাম