মূল অংশে যান

মুয়াত্তা মালিক – খণ্ড ৩

৭৫টি হাদিস · পৃষ্ঠা ২

  • ১৯৭সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُعَاوِيِّ، أَنَّهُ قَالَ رَآنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَأَنَا أَعْبَثُ بِالْحَصْبَاءِ فِي الصَّلاَةِ فَلَمَّا انْصَرَفْتُ نَهَانِي وَقَالَ اصْنَعْ كَمَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ ‏.‏ فَقُلْتُ وَكَيْفَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصْنَعُ قَالَ كَانَ إِذَا جَلَسَ فِي الصَّلاَةِ وَضَعَ كَفَّهُ الْيُمْنَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَقَبَضَ أَصَابِعَهُ كُلَّهَا وَأَشَارَ بِأَصْبُعِهِ الَّتِي تَلِي الإِبْهَامَ وَوَضَعَ كَفَّهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَقَالَ هَكَذَا كَانَ يَفْعَلُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৮. মুসলিম ইবন আবু মারইয়াম (রহঃ) আলী ইবন আবদুর রহমান মূআবী (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেনঃ আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আমাকে দেখিলেন, আমি ছোট ছোট কংকর লইয়া নামাযে খেলিতেছি। আমি নামায পড়িয়া ফিরিলে তিনি আমাকে এইরূপ করিতে নিষেধ করিলেন এবং বলিলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নামাযে) যেরূপ করিয়াছেন তুমিও সেইরূপ করবে। আমি (আলী ইবন আবদুর রহমান) বলিলামঃ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরূপ করিতেন? তিনি (আবদুল্লাহ ইবন উমর) বললেনঃ আত্তাহিয়াতু পড়ার জন্য নামাযে যখন বসিতেন, তখন তিনি ডান করতল ডান উরুর উপর রাখিতেন এবং হাতের আঙুলগুলি সংকুচিত করিয়া নিতেন। অতঃপর ইবহাম-এর (ابهام) (বৃদ্ধাঙ্গুলির পার্শ্বপতী আঙুল) দ্বারা ইশারা করিতেন এবং বাম করতলকে বাম উরুর উপর রাখিতেন, তিনি তারপর বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এইরূপই করিতেন।

  • ১৯৮সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، وَصَلَّى، إِلَى جَنْبِهِ رَجُلٌ فَلَمَّا جَلَسَ الرَّجُلُ فِي أَرْبَعٍ تَرَبَّعَ وَثَنَى رِجْلَيْهِ فَلَمَّا انْصَرَفَ عَبْدُ اللَّهِ عَابَ ذَلِكَ عَلَيْهِ فَقَالَ الرَّجُلُ فَإِنَّكَ تَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ فَإِنِّي أَشْتَكِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৪৯. আবদুল্লাহ ইবন দীনার (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে শুনিয়াছেন যে, তাহার পার্শ্বে এক ব্যক্তি নামায পড়িলেন। যখন তিনি চার রাকাআতের পর বসিলেন তখন পিড়িতে বসার মত বসিলেন। পা দুইটি বিছাইয়া দিলেন। নামায সমাপ্ত করার পর আবদুল্লাহ (রাঃ) তাহাকে এইরূপ বসার জন্য দোষারোপ করিলেন। ঐ ব্যক্তি বলিলেনঃ আপনি যে এইরূপভাবে বসেন! আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেনঃ আমার রোগ আছে।

  • ১৯৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ صَدَقَةَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ حَكِيمٍ، أَنَّهُ رَأَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَرْجِعُ فِي سَجْدَتَيْنِ فِي الصَّلاَةِ عَلَى صُدُورِ قَدَمَيْهِ فَلَمَّا انْصَرَفَ ذَكَرَ لَهُ ذَلِكَ فَقَالَ إِنَّهَا لَيْسَتْ سُنَّةَ الصَّلاَةِ وَإِنَّمَا أَفْعَلُ هَذَا مِنْ أَجْلِ أَنِّي أَشْتَكِي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫০. মুগীরা ইবন হাকীম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে দুই সিজদার মাজখানে তাহার উভয় পায়ের গোড়ালির উপর বসিতে দেখিয়াছেন। নামায শেষ করার পর তাহার নিকট এ বিষয়ে উত্থাপন করা হইলে, তিনি বলিলেনঃ ইহা নামাযের সুন্নত নহে। আমি অসুস্থতার কারণে এইভাবে বসি।

  • ২০০সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، كَانَ يَرَى عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ يَتَرَبَّعُ فِي الصَّلاَةِ إِذَا جَلَسَ قَالَ فَفَعَلْتُهُ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ حَدِيثُ السِّنِّ فَنَهَانِي عَبْدُ اللَّهِ وَقَالَ إِنَّمَا سُنَّةُ الصَّلاَةِ أَنْ تَنْصِبَ رِجْلَكَ الْيُمْنَى وَتَثْنِيَ رِجْلَكَ الْيُسْرَى ‏.‏ فَقُلْتُ لَهُ فَإِنَّكَ تَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏ فَقَالَ إِنَّ رِجْلَىَّ لاَ تَحْمِلاَنِّي ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫১. আবদুর রহমান ইবন কাসিম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রহঃ) তাহার নিকট বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে নামাযে বসাকালে পিড়িতে বসার মত (চার জানু) হইয়া বসিতে দেখিতেন। তিনি আরও বলিয়াছেনঃ আমিও (উহা দেখিয়া) সেইভাবে বসিলাম। তখন আমি তরুণ। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আমাকে (এইভাবে বসিতে) নিষেধ করিলেন এবং বলিলেনঃ নামাযের সুন্নত হইতেছে ডান পা খাড়া রাখিয়া বাম পা বিছাইয়া দেওয়া। আমি বলিয়া উঠিলামঃ আপনি যে এইরূপ করেন (পিড়িতে বসার মত বসেন)। তিনি বলিলেনঃ আমর পদদ্বয় (বসিবার সময়) আমার ভার বহন করিতে অক্ষম।

  • ২০১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، أَنَّ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ، أَرَاهُمُ الْجُلُوسَ فِي التَّشَهُّدِ فَنَصَبَ رِجْلَهُ الْيُمْنَى وَثَنَى رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَجَلَسَ عَلَى وَرِكِهِ الأَيْسَرِ وَلَمْ يَجْلِسْ عَلَى قَدَمِهِ ثُمَّ قَالَ أَرَانِي هَذَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ وَحَدَّثَنِي أَنَّ أَبَاهُ كَانَ يَفْعَلُ ذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫২. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) ‘আমাদিগকে ‘আত্তাহিয়্যাতু’ পড়ার সময় বসার নিয়ম দেখাইলেন। তিনি ডান পা খাড়া রাখলেন এবং বাম পা বিছাইয়া দিলেন। পায়ের উপর না বসিয়া বাম নিতম্বের উপর বসিলেন। অতঃপর বলিলেনঃ আবদুল্লাহ ইবন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রহঃ) আমাকে বসার এইরূপ পদ্ধতি দেখাইয়াছেন এবং তিনি বলিয়াছেনঃ তাহার পিতা এইরূপ করিতেন।

  • ২০২সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدٍ الْقَارِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ، وَهُوَ عَلَى الْمِنْبَرِ يُعَلِّمُ النَّاسَ التَّشَهُّدَ يَقُولُ قُولُوا التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৩. আবদুর রহমান ইবন আবদুল কারী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)-কে মিম্বরে আরোহণ করিয়া লোকদিগকে তাশাহহুদ তালীম দিতে শুনিয়াছেন। التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ তিনি বলতেনঃ আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহিয যাকিয়াতু লিল্লাহিত তায়্যিবাতু আসসালাওয়াতু লিল্লাহি আসসালামু আলাইকা আইয়ুহান্নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আসসালামু আলাইনা ওআলা ইবাদিল্লাহিস সালিহিনা আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসূলুহু।

  • ২০৩সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَتَشَهَّدُ فَيَقُولُ بِاسْمِ اللَّهِ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَى النَّبِيِّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ شَهِدْتُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ شَهِدْتُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ‏.‏ يَقُولُ هَذَا فِي الرَّكْعَتَيْنِ الأُولَيَيْنِ وَيَدْعُو إِذَا قَضَى تَشَهُّدَهُ بِمَا بَدَا لَهُ فَإِذَا جَلَسَ فِي آخِرِ صَلاَتِهِ تَشَهَّدَ كَذَلِكَ أَيْضًا إِلاَّ أَنَّهُ يُقَدِّمُ التَّشَهُّدَ ثُمَّ يَدْعُو بِمَا بَدَا لَهُ فَإِذَا قَضَى تَشَهُّدَهُ وَأَرَادَ أَنْ يُسَلِّمَ قَالَ السَّلاَمُ عَلَى النَّبِيِّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ‏.‏ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ عَنْ يَمِينِهِ ثُمَّ يَرُدُّ عَلَى الإِمَامِ فَإِنْ سَلَّمَ عَلَيْهِ أَحَدٌ عَنْ يَسَارِهِ رَدَّ عَلَيْهِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৪. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) তাশাহহুদ এইরূপ পড়িতেনঃ بِسْمِ اللَّهِ التَّحِيَّاتُ لِلَّهِ الصَّلَوَاتُ لِلَّهِ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ السَّلاَمُ عَلَى النَّبِيِّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ شَهِدْتُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ شَهِدْتُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ বিস্মিল্লাহি আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি আস্‌সালাওয়াতু লিল্লাহি আযযাকিয়াতু লিল্লাহি, আসসালামু আলাননাবিয়্যি ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু আসসালামু আলাইনা ও'আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহীন। শাহিদ্‌তু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু শাহিদতু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ্। প্রথম দুই রাকাআতের পর তিনি উক্ত তাশাহহুদ পাঠ করিতেন। তাশাহহদ পাঠ সমাপ্ত করিয়া তাহার পছন্দমত দুআ পাঠ করিতেন। নামাযের সর্বশেষ রাকাআতে যখন বসিতেন তখনও অনুরূপ তাশাহুহুদ পড়িতেন । অবশ্য তিনি তাশাহহুদ আগে পাঠ করিয়া পরে যাহা ইচ্ছা দুআ পাঠ করিতেন। তারপর তাশাহহুদ পড়ার পর সালাম-এর ইচ্ছা করিলে বলিতেনঃ السَّلاَمُ عَلَى النَّبِيِّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ‏ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ প্রথমে ডান দিকে, তারপর ইমামের প্রতি অর্থাৎ সামনের দিকে সালাম দিতেন। অতঃপর কেউ বাম দিক হইতে সালাম দিলে উহার উত্তর দিতেন।

  • ২০৪সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ إِذَا تَشَهَّدَتِ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ‏.‏ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ ‏.‏ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ২০৫সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الأَنْصَارِيِّ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ عَائِشَةَ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم كَانَتْ تَقُولُ إِذَا تَشَهَّدَتِ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৬. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, কাসিম ইবন মুহাম্মদ তাহাকে বলিলেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) তাশাহহুদ পড়ার সময় বলিতেনঃ التَّحِيَّاتُ الطَّيِّبَاتُ الصَّلَوَاتُ الزَّاكِيَاتُ لِلَّهِ أَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُ اللَّهِ وَرَسُولُهُ السَّلاَمُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللَّهِ وَبَرَكَاتُهُ السَّلاَمُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللَّهِ الصَّالِحِينَ السَّلاَمُ عَلَيْكُمْ মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি ইবন শিহাব ও নাফি' (মাওলা ইবন উমার) (রহঃ)-এর নিকট প্রশ্ন করিয়াছেনঃ এক ব্যক্তি জামাতে শামিল হইল, ইতিপূর্বে ইমাম এক রাকাআত শেষ করিয়াছেন, সে ইমামের সাথে দ্বিতীয় ও চতুর্থ রাক’আতে তাশাহহুদ পড়িবে কি, যদিও সে তিন রাক’আতই পড়িল? উভয়ে (উত্তরে) বলিলেনঃ হ্যাঁ, সে ইমামের সাথে তাশাহহুদ পড়িবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমাদের (মদীনাবাসীদের) আমলও অনুরূপ।

  • ২০৬সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، أَنَّهُ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ وَنَافِعًا مَوْلَى ابْنِ عُمَرَ عَنْ رَجُلٍ، دَخَلَ مَعَ الإِمَامِ فِي الصَّلاَةِ وَقَدْ سَبَقَهُ الإِمَامُ بِرَكْعَةٍ أَيَتَشَهَّدُ مَعَهُ فِي الرَّكْعَتَيْنِ وَالأَرْبَعِ وَإِنْ كَانَ ذَلِكَ لَهُ وِتْرًا فَقَالاَ لِيَتَشَهَّدْ مَعَهُ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ وَهُوَ الأَمْرُ عِنْدَنَا ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ২০৭যঈফ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ مَلِيحِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ السَّعْدِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قَالَ الَّذِي يَرْفَعُ رَأْسَهُ وَيَخْفِضُهُ قَبْلَ الإِمَامِ فَإِنَّمَا نَاصِيَتُهُ بِيَدِ شَيْطَانٍ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৭. মলিহ্ ইবন আবদুল্লাহ্ সাদী (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের পূর্বে মাথা তোলে অথবা ঝোঁকায় তাহার কপাল শয়তানের হাতে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ভুলবশত রুকূ-সিজদায় ইমামের পূর্বে মাথা উঠাইয়াছে তাহার বিষয়ে সুন্নাহ বা নিয়ম হইল, সে পুনরায় রুকূ অথবা সিজদায় ফিরিয়া যাইবে। ইহাতে সে ইমামের অপেক্ষা করিবে না। কেননা যে ব্যক্তি ইহা করিয়াছে, সে ভুল করিয়াছে। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ অনুসরণের জন্যই ইমাম নিযুক্ত করা হইয়াছে। কাজেই তোমরা ইমামের বরখেলাফ করিও না। আবু হুরায়রা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি ইমামের পূর্বে মাথা উঠায় অথবা ঝোঁকায় তাহার কপাল শয়তানের হাতে।

  • ২০৮সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ أَبِي تَمِيمَةَ السَّخْتِيَانِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم انْصَرَفَ مِنَ اثْنَتَيْنِ فَقَالَ لَهُ ذُو الْيَدَيْنِ أَقَصُرَتِ الصَّلاَةُ أَمْ نَسِيتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ النَّاسُ نَعَمْ ‏.‏ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ أُخْرَيَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ ثُمَّ رَفَعَ ثُمَّ كَبَّرَ فَسَجَدَ مِثْلَ سُجُودِهِ أَوْ أَطْوَلَ ثُمَّ رَفَعَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৮. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) দুই রাকাআত (পড়িয়া) নামায সমাপ্ত করিলেন, তখন যুল-ইয়াদায়ন (সাহাবী) তাহাকে বলিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! নামায সংক্ষিপ্ত করা হইয়াছে, না আপনার ভুল হইয়াছে? ইহা শুনিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (উপস্থিত মুসল্লিদের সম্বোধন করিয়া) বলিলেনঃ যুল-ইয়াদায়ন ঠিক বলিয়াছেন কি? লোকেরা বললেনঃ হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উঠিলেন এবং শেষের দুই রাকাআত পড়িলেন, তারপর সালাম ফিরাইয়া আল্লাহু আকবার বলিয়া সিজদা করিলেন, পূর্বের মত (সিজদা) অথবা তাহা হইতে দীর্ঘ সিজদা। অতঃপর (পবিত্র) শির উঠাইলেন, পুনরায় তকবীর বলিয়া সিজদায় গেলেন, পূর্বের (সিজদার) মত অথবা উহা হইতে দীর্ঘ সিজদা, অতঃপর (পবিত্র) শির উঠাইলেন।

  • ২০৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، مَوْلَى ابْنِ أَبِي أَحْمَدَ أَنَّهُ قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الْعَصْرِ فَسَلَّمَ فِي رَكْعَتَيْنِ فَقَامَ ذُو الْيَدَيْنِ فَقَالَ أَقَصُرَتِ الصَّلاَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمْ نَسِيتَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ كُلُّ ذَلِكَ لَمْ يَكُنْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ قَدْ كَانَ بَعْضُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النَّاسِ فَقَالَ ‏"‏ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا نَعَمْ ‏.‏ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَمَّ مَا بَقِيَ مِنَ الصَّلاَةِ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ بَعْدَ التَّسْلِيمِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৫৯. আবু আহমদ (রহঃ)-এর পুত্রের মাওলা আবূ সুফইয়ান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) আসরের নামায পড়িলেন, তিনি (উহাতে) দুই রাকাআতের পর সালাম ফিরাইলেন। যুল-ইয়াদায়ন দাঁড়াইয়া বলিলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল। নামায কমাইয়া দেওয়া হইয়াছে না আপনি তুলিয়া গিয়াছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইলেন, (আমার মনে হয়) উভয়ের কোনটাই ঘটে নাই। যুল-ইয়াদায়ন বলিলেনঃ হে আল্লাহ্‌র রাসূল! একটা কিছু ঘটিয়াছে। (ইহা শোনার পর) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পবিত্র মুখমণ্ডল সাহাবাদের দিকে করিলেন এবং জিজ্ঞাসা করিলেন , যুল-ইয়াদায়ন কি ঠিক বলিতেছেন? উপস্থিত সাহাবা বলিলেনঃ হ্যাঁ। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়াইলেন এবং অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করিলেন। তারপর সালামের পর বসা অবস্থায় দুইটি সিজদা করিলেন।

  • ২১০সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ سُلَيْمَانَ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ، قَالَ بَلَغَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكَعَ رَكْعَتَيْنِ مِنْ إِحْدَى صَلاَتَىِ النَّهَارِ - الظُّهْرِ أَوِ الْعَصْرِ - فَسَلَّمَ مِنَ اثْنَتَيْنِ فَقَالَ لَهُ ذُو الشِّمَالَيْنِ أَقَصُرَتِ الصَّلاَةُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَمْ نَسِيتَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا قَصُرَتِ الصَّلاَةُ وَمَا نَسِيتُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ ذُو الشِّمَالَيْنِ قَدْ كَانَ بَعْضُ ذَلِكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَأَقْبَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى النَّاسِ فَقَالَ ‏"‏ أَصَدَقَ ذُو الْيَدَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ فَأَتَمَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا بَقِيَ مِنَ الصَّلاَةِ ثُمَّ سَلَّمَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬০. আবু বকর ইবন সুলায়মান ইবন আবি হাসমা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ আমার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনের কোন এক নামায- যোহর কিংবা আসরে দুই রাকাআত পড়িয়া সালাম ফিরাইলেন, তখন বনি যোহরা ইবন কিলাব গোত্রের যুশ-শিমালায়ন (রাঃ) নামক জনৈক সাহাবী বলিলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! নামায কি সংক্ষিপ্ত করা হইয়াছে, না আপনি ভুলিয়া গিয়াছেন? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইলেনঃ নামাযও সংক্ষিপ্ত করা হয় নাই, আমিও ভুলি নাই। যুশ-শিমালায়ন (রাঃ) পুনরায় বলিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! (অবশ্যই) কোন একটা হইয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চেহারা মুবারক লোকের দিকে করিলেন এবং বলিলেনঃ যুশ-শিমালায়ন ঠিক বলিয়াছে কি? (উপস্থিত) লোকজন বলিলেনঃ হ্যাঁ। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করিলেন। অতঃপর সালাম ফিরাইলেন।

  • ২১১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَعَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، مِثْلَ ذَلِكَ ‏.‏ قَالَ مَالِكٌ كُلُّ سَهْوٍ كَانَ نُقْصَانًا مِنَ الصَّلاَةِ فَإِنَّ سُجُودَهُ قَبْلَ السَّلاَمِ وَكُلُّ سَهْوٍ كَانَ زِيَادَةً فِي الصَّلاَةِ فَإِنَّ سُجُودَهُ بَعْدَ السَّلاَمِ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬১. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) এবং আবি সালামা ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) হইতে অনুরূপ বর্ণিত আছে। ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ভুলে নামাযে ঘাটতি হয়, উহাতে সালামের পূর্বে সিজদা করিতে হয়। আর যে ভুলে বৃদ্ধি হয় উহাতে সালামের পরে সিজদা করিতে হয়।

  • ২১২সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَتِهِ فَلَمْ يَدْرِ كَمْ صَلَّى أَثَلاَثًا أَمْ أَرْبَعًا فَلْيُصَلِّي رَكْعَةً وَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ التَّسْلِيمِ فَإِنْ كَانَتِ الرَّكْعَةُ الَّتِي صَلَّى خَامِسَةً شَفَعَهَا بِهَاتَيْنِ السَّجْدَتَيْنِ وَإِنْ كَانَتْ رَابِعَةً فَالسَّجْدَتَانِ تَرْغِيمٌ لِلشَّيْطَانِ ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬২. আতা ইবন ইয়াসার (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ তোমাদের কেউ যদি নামাযের মধ্যে সন্দেহগ্ৰস্ত হয়, তদ্দরুন তিন রাকাআত পড়িয়াছে না চার রাকাআত পড়িয়াছে তাহা স্মরণ করতে না পারে তবে সে আর এক রাকাআত পড়িবে এবং বসা অবস্থায়ই সালামের পূর্বে দুইটি সিজদা করিবে। যে (এক) রাক’আত সে পড়িয়াছে তাহা যদি পঞ্চম রাকাআত হইয়া থাকে, তবে উক্ত দুই সিজদা (ষষ্ঠ রাকাআতের পরিবর্তে গণ্য করা হইবে এবং) ঐ নামাযকে জোড় নামাযে পরিণত করবে। আর যদি উহা চতুর্থ রাকাআত হয়, তবে দুই সিজদা শয়তানের অপমানের কারণ হইবে।

  • ২১৩সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ يَقُولُ إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَتِهِ فَلْيَتَوَخَّ الَّذِي يَظُنُّ أَنَّهُ نَسِيَ مِنْ صَلاَتِهِ فَلْيُصَلِّهِ ثُمَّ لِيَسْجُدْ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৩. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ নামাযে (কত রাকাআত পড়া হইল সে বিষয়) সন্দেহে লিপ্ত হইলে সে তাহার ধারণা মত কত রাকাআত নামায ভুলিয়া গিয়াছে, উহা স্থির করিবে এবং (সে মত) নামায পড়িবে। তারপর বসা অবস্থায় ভুলের জন্য দুইটি সিজদা করিবে।

  • ২১৪সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَفِيفِ بْنِ عَمْرٍو السَّهْمِيِّ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، أَنَّهُ قَالَ سَأَلْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ وَكَعْبَ الأَحْبَارِ عَنِ الَّذِي، يَشُكُّ فِي صَلاَتِهِ فَلاَ يَدْرِي كَمْ صَلَّى أَثَلاَثًا أَمْ أَرْبَعًا فَكِلاَهُمَا قَالَ لِيُصَلِّي رَكْعَةً أُخْرَى ثُمَّ لِيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৪. আতা ইবন ইয়াসার (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি আবদুল্লাহ ইবন আমর ইবন আ'স (রাঃ) এবং কা'ব আল-আহবার (রহঃ)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করিয়াছি, যে ব্যক্তি নামাযে সংশয়ে লিপ্ত হয়, অতঃপর সে বলিতে পারে না কত রাকাআত পড়িয়াছে – তিন রাকাআত না চারি রাকাআত। তখন তাহারা (উত্তরে) বলিলেন যে, সে আর এক রাকাআত পড়িবে। তারপর বসা অবস্থায়ই দুইটি সিজদা করিবে। মালিক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণনা করেন যে, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-কে নামাযে ভুলিয়া যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হইলে (উত্তরে) তিনি বলিতেনঃ যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিছু নামায ভুলিয়া গিয়াছে সে ভাবিয়া ঠিক করিবে, অতঃপর নামায পড়িয়া লইবে।

  • ২১৫সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ نَافِعٍ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، كَانَ إِذَا سُئِلَ عَنِ النِّسْيَانِ، فِي الصَّلاَةِ قَالَ لِيَتَوَخَّ أَحَدُكُمُ الَّذِي يَظُنُّ أَنَّهُ نَسِيَ مِنْ صَلاَتِهِ فَلْيُصَلِّهِ ‏.‏

    এই হাদিসের বাংলা অনুবাদ এখনো পাওয়া যায়নি। এর বদলে আরবি পাঠ দেখানো হয়েছে।

  • ২১৬সহীহ

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ بُحَيْنَةَ، أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ قَامَ فَلَمْ يَجْلِسْ فَقَامَ النَّاسُ مَعَهُ فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ وَنَظَرْنَا تَسْلِيمَهُ كَبَّرَ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ قَبْلَ التَّسْلِيمِ ثُمَّ سَلَّمَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৫. আবদুল্লাহ ইবন বুহায়না (রাঃ) বলিয়াছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) আমাদিগকে দুই রাকাআত নামায পড়াইয়া (আত্তাহিয়্যাতু পড়িতে না বসিয়াই) দাঁড়াইয়া গেলেন। মুসল্লিগণ তাহার সহিত দাঁড়াইলেন। তারপর যখন নামায পূর্ণ করিলেন এবং আমরা সালামের অপেক্ষায় রহিলাম তখন তিনি আল্লাহু আকবর’ বলিলেন। অতঃপর সালামের পূর্বে বসা অবস্থায়ই দুইটি সিজদা করিলেন এবং সালাম ফিরাইলেন।

  • ২১৭সহীহ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ هُرْمُزَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ابْنِ بُحَيْنَةَ، أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الظُّهْرَ فَقَامَ فِي اثْنَتَيْنِ وَلَمْ يَجْلِسْ فِيهِمَا فَلَمَّا قَضَى صَلاَتَهُ سَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ بَعْدَ ذَلِكَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৬. আবদুল্লাহ ইবন বুহায়না (রাঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেন, (একবারের ঘটনা) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহরের নামায পড়াইলেন, তিনি দুই রাকাআতের পর দাঁড়াইয়া গেলেন এবং (আত্তাহিয়্যাতু পড়ার জন্য) বসিলেন না। যখন তিনি নামায পূর্ণ করিলেন দুইটি সিজদা (সাহু সিজদা) করিলেন, অতঃপর সালাম ফিরাইলেন। মালিক (রহঃ) বলেন- যে ব্যক্তি নামাযে ভুল করে এবং চারি রাকাআত পূর্ণ করার পর দাঁড়াইয়া যায়, তারপর কিরাআত সমাপ্ত করিয়া রুকূ করে, রুকু হইতে মাথা তোলার পর তাহার স্মরণ হইল যে, সে নামায পূর্ণ পড়িয়াছিল, তখন সেই ব্যক্তি বসার দিকে প্রত্যাবর্তন করিবে এবং বসিয়া যাইবে। সে তখন আর সিজদায় যাইবে না। আর যদি দুই সিজদার এক সিজদা করিয়া থাকে তবে আমি দ্বিতীয় সিজদা করা সঙ্গত মনে করি না। অতঃপর সে যখন নামায পূর্ণ করিবে তখন দুইটি সিজদা করিবে বসা অবস্থায় সালামের পর।

  • ২১৮হাসান

    حَدَّثَنِي يَحْيَى، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ أَبِي عَلْقَمَةَ، عَنْ أُمِّهِ، أَنَّ عَائِشَةَ، زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَتْ أَهْدَى أَبُو جَهْمِ بْنُ حُذَيْفَةَ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَمِيصَةً شَامِيَّةً لَهَا عَلَمٌ فَشَهِدَ فِيهَا الصَّلاَةَ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَالَ ‏ "‏ رُدِّي هَذِهِ الْخَمِيصَةَ إِلَى أَبِي جَهْمٍ فَإِنِّي نَظَرْتُ إِلَى عَلَمِهَا فِي الصَّلاَةِ فَكَادَ يَفْتِنُنِي ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৭. আলকামা ইবন আবি আলকামা (রহঃ) হইতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আবু জাহম ইবন হুযায়ফা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে শামী চাদর হাদিয়াস্বরূপ পেশ করিলেন, যাহাতে ফুল, বুটা ইত্যাদি দ্বারা কারুকার্য করা ছিল। উহা পরিধান করিয়া তিনি নামায পড়িলেন। নামায হইতে ফিরিয়া তিনি ফরমাইলেন, এই চাদরখানা আবূ জাহম-এর নিকট ফিরাইয়া দাও। কেননা উহার কারুকার্যের দিকে নামাযে আমার দৃষ্টি পতিত হইয়াছে। উহা নামাযের একগ্রতা নষ্ট করিয়া আমাকে ফিতনায় লিপ্ত করিয়াছে।

  • ২১৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَبِسَ خَمِيصَةً شَامِيَّةً لَهَا عَلَمٌ ثُمَّ أَعْطَاهَا أَبَا جَهْمٍ وَأَخَذَ مِنْ أَبِي جَهْمٍ أَنْبِجَانِيَّةً لَهُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَلِمَ فَقَالَ ‏ "‏ إِنِّي نَظَرْتُ إِلَى عَلَمِهَا فِي الصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৮. হিশাম ইবন উরওয়াহ্ (রহঃ) স্বীয় পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একবার) শামী চাদর পরিধান করিয়াছিলেন। উহাতে ফুল, বুটা দ্বারা কারুকার্য করা ছিল; অতঃপর আবু জাহমকে উহা ফিরাইয়া দিয়া (তৎপরিবর্তে) আবূ জাহম হইতে আমবিজানিয়া (মোটা পশমী কাপড়) গ্রহণ করিলেন। ইহার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইলেন, নামাযে ইহার কারুকার্যের প্রতি আমার দৃষ্টি পতিত হইয়াছে।

  • ২২০যঈফ

    وَحَدَّثَنِي مَالِكٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّ أَبَا طَلْحَةَ الأَنْصَارِيَّ، كَانَ يُصَلِّي فِي حَائِطِهِ فَطَارَ دُبْسِيٌّ فَطَفِقَ يَتَرَدَّدُ يَلْتَمِسُ مَخْرَجًا فَأَعْجَبَهُ ذَلِكَ فَجَعَلَ يُتْبِعُهُ بَصَرَهُ سَاعَةً ثُمَّ رَجَعَ إِلَى صَلاَتِهِ فَإِذَا هُوَ لاَ يَدْرِي كَمْ صَلَّى فَقَالَ لَقَدْ أَصَابَتْنِي فِي مَالِي هَذَا فِتْنَةٌ ‏.‏ فَجَاءَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ لَهُ الَّذِي أَصَابَهُ فِي حَائِطِهِ مِنَ الْفِتْنَةِ وَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ هُوَ صَدَقَةٌ لِلَّهِ فَضَعْهُ حَيْثُ شِئْتَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৬৯. আবদুল্লাহ ইবন আবু বকর (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, আবূ তালহা আনসারী (রাঃ) একবার তাহার এক বাগানে নামায পড়িতেছিলেন। ইতিমধ্যে একটি ছোট পাখি উড়িতে শুরু করিল, (বাগান এত ঘন ছিল যে এই ক্ষুদ্র পাখিটি পথ খুঁজিয়া পাইতেছিল না), তাই পাখিটি এদিক-সেদিক বাহির হওয়ার পথ খুঁজিতে আরম্ভ করিল। এই দৃশ্য তাহার খুব ভাল লাগিল। ফলে তিনি কিছুক্ষণ সেইদিকে তাকাইয়া রহিলেন। তারপর নামাযের দিকে মনোযোগ দিলেন। কিন্তু (অবস্থা এই দাঁড়াইল) তিনি (তখন) স্মরণ করিতে পারিলেন না যে, নামায কত রাকাআত পড়িয়াছেন। তিনি বলিলেনঃ এই মাল আমাকে পরীক্ষায় ফেলিয়াছে। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমতে উপস্থিত হইলেন এবং বাগানে তাহার সম্মুখে যে পরীক্ষা উপস্থিত হইয়াছিল উহা বিবৃত করিলেন। তারপর বলিলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! এই মাল আল্লাহর জন্য উৎসর্গ করিতেছি। আপনি যেখানে পছন্দ করেন উহাকে সেইখানে ব্যয় করুন।

  • ২২১যঈফ

    وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ كَانَ يُصَلِّي فِي حَائِطٍ لَهُ بِالْقُفِّ - وَادٍ مِنْ أَوْدِيَةِ الْمَدِينَةِ - فِي زَمَانِ الثَّمَرِ وَالنَّخْلُ قَدْ ذُلِّلَتْ فَهِيَ مُطَوَّقَةٌ بِثَمَرِهَا فَنَظَرَ إِلَيْهَا فَأَعْجَبَهُ مَا رَأَى مِنْ ثَمَرِهَا ثُمَّ رَجَعَ إِلَى صَلاَتِهِ فَإِذَا هُوَ لاَ يَدْرِي كَمْ صَلَّى فَقَالَ لَقَدْ أَصَابَتْنِي فِي مَالِي هَذَا فِتْنَةٌ ‏.‏ فَجَاءَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ - وَهُوَ يَوْمَئِذٍ خَلِيفَةٌ - فَذَكَرَ لَهُ ذَلِكَ وَقَالَ هُوَ صَدَقَةٌ فَاجْعَلْهُ فِي سُبُلِ الْخَيْرِ ‏.‏ فَبَاعَهُ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ بِخَمْسِينَ أَلْفًا فَسُمِّيَ ذَلِكَ الْمَالُ الْخَمْسِينَ ‏.‏

    রেওয়ায়ত ৭০. আবদুল্লাহ্ ইবন আবু বকর (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আনসারী এক ব্যক্তি মদীনার উপত্যকাসমূহের মধ্যে কুফ নামক উপত্যকায় তাহার এক বাগানে নামায পড়িতেছিলেন, তখন ছিল (খেজুরের) মওসুম। খেজুরের গাছগুলি খেজুরের ভারে ঝুঁকিয়া পড়িতেছিল। গাছগুলি যেন স্বীয় ফলগুচ্ছের হার পরিহিত। ফলের এ দৃশ্যটি তাহার খুবই মনঃপূত হইল। তাই সেইদিকে চাহিয়া রছিলেন। অতঃপর নামাযের দিকে মনোযোগী হইলেন। কিন্তু তাহার আর স্মরণ হইতেছিল না যে, তিনি কত রাকাআত নামায পড়িয়াছেন। ইহা দেখিয়া তিনি বলিলেন, আমার এই সম্পত্তি আমার জন্য ফিতনারূপে উপস্থিত হইয়াছে। তখন ছিল উসমান (রাঃ)-এর খিলাফতকাল। তিনি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর নিকট হাজির হইলেন এবং তাহার নিকট ঘটনা বিবৃত করিলেন। তারপর বলিলেনঃ উক্ত সম্পদ আল্লাহর পথে উৎসর্গ করা হইল। ইহাকে সৎকাজে ব্যয় করুন। উসমান (রাঃ) উহাকে পঞ্চাশ হাজার (দিরহাম)-এর বিনিময়ে বিক্রি করিলেন। (এই কারণে) উক্ত সম্পত্তির নাম রাখা হইল (খমসিন) বা পঞ্চাশ হাজারী।

মুয়াত্তা মালিক – খণ্ড ৩ (পৃষ্ঠা ২) | উল্কা ইসলাম