মূল অংশে যান

সহীহ মুসলিম – খণ্ড ১৩

২৮৫টি হাদিস · পৃষ্ঠা ৪

  • ২৬৪৫সহীহ

    حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ، - يَعْنِي ابْنَ كَثِيرٍ - حَدَّثَنِي نَافِعٌ، أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي يَوْمِ عَاشُورَاءَ ‏ "‏ إِنَّ هَذَا يَوْمٌ كَانَ يَصُومُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَصُومَهُ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَتْرُكَهُ فَلْيَتْرُكْهُ ‏"‏ ‏.‏ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ - رضى الله عنه - لاَ يَصُومُهُ إِلاَّ أَنْ يُوَافِقَ صِيَامَهُ ‏.‏

    আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আশুরার দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, জাহিলী যুগে এ দিনে লোকেরা সিয়াম (রোজা/রোযা) সাধনা করত। যদি কেউ এদিনে সওম পালন করতে চায়, সে এ দিনে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করবে। আর কেউ যদি এদিনে সওম পালন করতে না চায়, সে সওম পালন করবে না। আবদুল্লাহ (রাযিঃ) তার অভ্যস্ত দিনে না হলে আশূরার সওম পালন করতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১২, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৪৬সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَبِي خَلَفٍ، حَدَّثَنَا رَوْحٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مَالِكٍ، عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الأَخْنَسِ أَخْبَرَنِي نَافِعٌ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ ذُكِرَ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صَوْمُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَذَكَرَ مِثْلَ حَدِيثِ اللَّيْثِ بْنِ سَعْدٍ سَوَاءً ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আশূরার দিনের সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্পর্কে কথা তোলা হল। তারপর তিনি লায়স ইবনু সা'দ (রহঃ) এর অনুরূপই বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৪৭সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ النَّوْفَلِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ، زَيْدٍ الْعَسْقَلاَنِيُّ حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، - رضى الله عنهما - قَالَ ذُكِرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمُ عَاشُورَاءَ فَقَالَ ‏ "‏ ذَاكَ يَوْمٌ كَانَ يَصُومُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ فَمَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ تَرَكَهُ ‏"‏ ‏.‏

    আহমাদ ইবনু উসমান আন্‌ নাওফালী (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আশূরার দিবস সম্পর্কে কথা তোলা হলে তিনি বললেন, এ দিনে জাহিলী যুগে লোকেরা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত। যার ইচ্ছা সে এ দিন সওম পালন করবে, আর যার ইচ্ছা সে এ দিনে সওম পালন করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৪৮সহীহ

    حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ جَمِيعًا عَنْ أَبِي مُعَاوِيَةَ، قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عُمَارَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ وَهُوَ يَتَغَدَّى فَقَالَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ ادْنُ إِلَى الْغَدَاءِ ‏.‏ فَقَالَ أَوَلَيْسَ الْيَوْمُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ قَالَ وَهَلْ تَدْرِي مَا يَوْمُ عَاشُورَاءَ قَالَ وَمَا هُوَ قَالَ إِنَّمَا هُوَ يَوْمٌ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُهُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ شَهْرُ رَمَضَانَ فَلَمَّا نَزَلَ شَهْرُ رَمَضَانَ تُرِكَ ‏.‏ وَقَالَ أَبُو كُرَيْبٍ تَرَكَهُ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশ'আস ইবনু কায়স আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর নিকট গেলেন। তখন তিনি দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। তিনি বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ! তুমি খাওয়ার জন্য কাছে এসো। তিনি বললেন, আজ কি আশূরার দিন নয়? তিনি বললেন, তুমি কি জান আশুরা দিন কী? আশ'আস বললেন, সে আবার কী? তিনি বললেন, রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে এ দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতেন। যখন রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হল তখন তা ছেড়ে দেয়া হল। রাবী আবূ কুরায়ব (রহঃ) تُرِكَ এর স্থলে تَرَكَهُ বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৪৯সহীহ

    وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالاَ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تَرَكَهُ ‏.‏

    যুহায়র ইবনু হারব ও উসমান ইবনু আবূ শয়বাহ (রহঃ) ... আ'মাশ (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে তারা বলেছেন, فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تَرَكَهُ “যখন রমাযানের বিধান নাযিল হল তখন তা ছেড়ে দেয়া হয়।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫০সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَيَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ سُفْيَانَ، ح وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، - وَاللَّفْظُ لَهُ - حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، حَدَّثَنِي زُبَيْدٌ الْيَامِيُّ، عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ سَكَنٍ، أَنَّ الأَشْعَثَ بْنَ قَيْسٍ، دَخَلَ عَلَى عَبْدِ اللَّهِ يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَهُوَ يَأْكُلُ فَقَالَ يَا أَبَا مُحَمَّدٍ ادْنُ فَكُلْ ‏.‏ قَالَ إِنِّي صَائِمٌ ‏.‏ قَالَ كُنَّا نَصُومُهُ ثُمَّ تُرِكَ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... কায়স ইবনু সাকান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশুরার দিন আশ'আস ইবনু কায়স (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাযিঃ) এর কাছে এলেন। এ সময় তিনি আহার করছিলেন। তিনি আশ'আসকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আবূ মুহাম্মাদ নিকটে এসো, খানা খাও। তিনি বললেন, আমি তো সওম পালন করছি। এ কথা শুনে আবদুল্লাহ (রাযিঃ) বললেন, আমরা এ সওম পালন করতাম। পরে তা ছেড়ে দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ دَخَلَ الأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ عَلَى ابْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ يَأْكُلُ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِنَّ الْيَوْمَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَقَالَ قَدْ كَانَ يُصَامُ قَبْلَ أَنْ يَنْزِلَ رَمَضَانُ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ تُرِكَ فَإِنْ كُنْتَ مُفْطِرًا فَاطْعَمْ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ)..... আলকামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আশ'আস ইবনু কায়স (রহঃ) ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) এর নিকট গেলেন। সেটা আশূরার দিন ছিল। তখন তিনি খানা খাচ্ছিলেন। এ দেখে আশ'আস (রহঃ) বললেন, হে আবদুর রহমানের পিতা! আজ তো আশূরার দিন। তিনি বললেন, রমাযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) ফারয (ফরয) হওয়ার পূর্বে এ দিনে সিয়াম পালন করা হতো। কিন্তু রমযানের সিয়াম ফারয (ফরয) হলে এ দিনের সিয়াম পালন ছেড়ে দেয়া হয়। এখন তুমি যদি সওম না রেখে থাক তবে খাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫২সহীহ

    حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، أَخْبَرَنَا شَيْبَانُ، عَنْ أَشْعَثَ، بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ عَنْ جَعْفَرِ بْنِ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا بِصِيَامِ يَوْمِ عَاشُورَاءَ وَيَحُثُّنَا عَلَيْهِ وَيَتَعَاهَدُنَا عِنْدَهُ فَلَمَّا فُرِضَ رَمَضَانُ لَمْ يَأْمُرْنَا وَلَمْ يَنْهَنَا وَلَمْ يَتَعَاهَدْنَا عِنْدَهُ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশূরার দিন আমাদেরকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনের নির্দেশ দিতেন। তিনি এ ব্যাপারে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করতেন এবং এ বিষয়ে তিনি আমাদের খোজ-খবর নিতেন। কিন্তু যখন রমযানের সিয়াম ফারয (ফরয) হল তখন তিনি আমাদেরকে আদেশও করেননি, বাধাও করেননি এবং কোন খোঁজ-খবর আর নেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫১৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৩সহীহ

    حَدَّثَنِي حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَخْبَرَنِي حُمَيْدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَنَّهُ سَمِعَ مُعَاوِيَةَ بْنَ أَبِي سُفْيَانَ، خَطِيبًا بِالْمَدِينَةِ - يَعْنِي فِي قَدْمَةٍ قَدِمَهَا - خَطَبَهُمْ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ أَيْنَ عُلَمَاؤُكُمْ يَا أَهْلَ الْمَدِينَةِ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ لِهَذَا الْيَوْمِ ‏ "‏ هَذَا يَوْمُ عَاشُورَاءَ وَلَمْ يَكْتُبِ اللَّهُ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ وَأَنَا صَائِمٌ فَمَنْ أَحَبَّ مِنْكُمْ أَنْ يَصُومَ فَلْيَصُمْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يُفْطِرَ فَلْيُفْطِرْ ‏"‏ ‏.‏

    হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... হুমায়দ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি একদিন মুআবিয়াহ ইবনু আবূ সুফইয়ান (রাযিঃ) কে মদীনায় খুতবায় বলতে শুনলেন অর্থাৎ যখন তিনি মদীনায় এসেছিলেন, তখন আশুরার দিবসে তিনি তাদের উদ্দেশে খুতবাহ দিয়েছিলেন। তাতে তিনি বলেছিলন, হে মাদীনাবাসী! তোমাদের আলিমগণ কোথায়? আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ দিন সম্পর্কে বলতে শুনেছি যে, এ হল আশুরা দিবস। আল্লাহ তোমাদের উপর এ দিনের সওম ফারয (ফরয) করেননি। তবে আমি সওম পালন করছি। তাই তোমাদের মধ্যে যে সওম পালন করতে পছন্দ করে, সে পালন করবে আর যে পছন্দ করেনি, সে করবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২০, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৪সহীহ

    حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ ابْنِ، شِهَابٍ فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏

    আবূ তাহির (রহঃ) .... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২১, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৫সহীহ

    وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ فِي مِثْلِ هَذَا الْيَوْمِ ‏ "‏ إِنِّي صَائِمٌ فَمَنْ شَاءَ أَنْ يَصُومَ فَلْيَصُمْ "‏ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرْ بَاقِيَ حَدِيثِ مَالِكٍ وَيُونُسَ ‏.‏

    ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) থেকে এ সানাদে বর্ণনা করেন যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ দিন সম্পর্কে বলতে শুনেছেন যে, আমি সওম পালনকারী। যে সওম পালনের ইচ্ছা করে, সে যেন সওম পালন করে, অতঃপর তিনি মালিক এবং ইউনুস বর্ণিত হাদীসের অবশিষ্ট অংশ উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২২, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৬সহীহ

    حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، أَخْبَرَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ، عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - قَالَ قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ فَوَجَدَ الْيَهُودَ يَصُومُونَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَسُئِلُوا عَنْ ذَلِكَ فَقَالُوا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِي أَظْهَرَ اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَبَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَى فِرْعَوْنَ فَنَحْنُ نَصُومُهُ تَعْظِيمًا لَهُ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ نَحْنُ أَوْلَى بِمُوسَى مِنْكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَأَمَرَ بِصَوْمِهِ ‏.‏

    ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) .... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (হিজরত করে) মাদীনায় এলেন এবং তিনি ইয়াহুদীদেরকে আশুরার দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে দেখতে পেলেন। এরপর তাদেরকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর তারা বলল, এ সে দিন যে দিন আল্লাহ মূসা (আঃ) ও বনী ইসরাঈলকে ফিরআওনের উপর বিজয়ী করেছেন। তার সম্মানার্থে আমরা সওম পালন করে থাকি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা তোমাদের চেয়েও মূসা (আঃ) এর অধিক নিকটবর্তী। এরপর তিনি এ দিনে সওম পালন করার নির্দেশ দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৭সহীহ

    وَحَدَّثَنَاهُ ابْنُ بَشَّارٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ جَمِيعًا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَسَأَلَهُمْ عَنْ ذَلِكَ، ‏.‏

    ইবনু বাশশার ও আবূ বকর ইবনু নাফি (রহঃ) ... আবূ বিশর (রহঃ) থেকে এ সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসে فَسُئِلُوا عَنْ ذَلِكَ (তারা এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করল) এ স্থলে فَسَأَلَهُمْ (তিনি তাদেরকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন) বাক্যটি বর্ণিত আছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৮সহীহ

    وَحَدَّثَنِي ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَدِمَ الْمَدِينَةَ فَوَجَدَ الْيَهُودَ صِيَامًا يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ لَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا هَذَا الْيَوْمُ الَّذِي تَصُومُونَهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالُوا هَذَا يَوْمٌ عَظِيمٌ أَنْجَى اللَّهُ فِيهِ مُوسَى وَقَوْمَهُ وَغَرَّقَ فِرْعَوْنَ وَقَوْمَهُ فَصَامَهُ مُوسَى شُكْرًا فَنَحْنُ نَصُومُهُ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَنَحْنُ أَحَقُّ وَأَوْلَى بِمُوسَى مِنْكُمْ ‏"‏ ‏.‏ فَصَامَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ ‏.‏

    –(১২৮/...) ইবনু আবী উমর (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় হিজরত করে ইয়াহুদীদেরকে আশুরার দিন সওম পালনরত দেখতে পেলেন। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কোন দিনের সওম পালন করছ, তারা বলল, এ মহান দিনে আল্লাহ তা'আলা মূসা (আঃ) ও তার সম্প্রদায়কে মুক্তি দিয়েছেন এবং ফিরআওন ও তার কওমকে ডুবিয়ে দিয়েছেন। এরপর মূসা (আঃ) কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার লক্ষ্যে এ দিনে সওম পালন করেছেন। তাই আমরাও এ দিনে সওম পালন করছি। তারপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমরা তো তোমাদের থেকে মূসা (আঃ) এর অধিক নিকটবর্তী এবং হাক্বদার। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ সওম পালন করলেন এবং সওম পালন করার জন্য সকলকে নির্দেশ দিলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৫৯সহীহ

    وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ أَيُّوبَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ إِلاَّ أَنَّهُ قَالَ عَنِ ابْنِ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، لَمْ يُسَمِّهِ ‏.‏

    ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ... আইয়ূব (রহঃ) থেকে এ সানাদের সাথে বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি বলেছেন, ইবনু সাঈদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) এ হাদীস সরাসরি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬০সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ أَبِي عُمَيْسٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى، - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ يَوْمُ عَاشُورَاءَ يَوْمًا تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَتَتَّخِذُهُ عِيدًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ صُومُوهُ أَنْتُمْ ‏"‏ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) .... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহুদী সম্প্রদায় আশুরা দিবসের সম্মান প্রদর্শন করত এবং তারা এ দিনকে ঈদ বলে গণ্য করত। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাও এ দিনে সওম পালন কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬১সহীহ

    وَحَدَّثَنَاهُ أَحْمَدُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ أُسَامَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعُمَيْسِ، أَخْبَرَنِي قَيْسٌ، فَذَكَرَ بِهَذَا الإِسْنَادِ مِثْلَهُ وَزَادَ قَالَ أَبُو أُسَامَةَ فَحَدَّثَنِي صَدَقَةُ بْنُ أَبِي عِمْرَانَ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي مُوسَى - رضى الله عنه - قَالَ كَانَ أَهْلُ خَيْبَرَ يَصُومُونَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ يَتَّخِذُونَهُ عِيدًا وَيُلْبِسُونَ نِسَاءَهُمْ فِيهِ حُلِيَّهُمْ وَشَارَتَهُمْ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فَصُومُوهُ أَنْتُمْ ‏"‏ ‏.‏

    আহমাদ ইবনুল মুন্‌যির (রহঃ) ... কায়স (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন যে, আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খায়বারের ইয়াহুদীরা আশূরার দিন সওম পালন করত, তারা এ দিনকে ঈদরূপে বরণ করত এবং তারা তাদের মহিলাদেরকে অলংকার ও উত্তম পোশাকে সুসজ্জিত করত। এরপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরাও এ দিনে সওম পালন কর। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬২সহীহ

    حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرٌو النَّاقِدُ، جَمِيعًا عَنْ سُفْيَانَ، - قَالَ أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ، - عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي يَزِيدَ، سَمِعَ ابْنَ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - وَسُئِلَ عَنْ صِيَامِ، يَوْمِ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَقَالَ مَا عَلِمْتُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم صَامَ يَوْمًا يَطْلُبُ فَضْلَهُ عَلَى الأَيَّامِ إِلاَّ هَذَا الْيَوْمَ وَلاَ شَهْرًا إِلاَّ هَذَا الشَّهْرَ يَعْنِي رَمَضَانَ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ... উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে আশুরার দিনে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার পর তিনি বললেন, এ দিন ব্যতীত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন মাসকে অন্য মাসের তুলনায় শ্রেষ্ঠ মনে করে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেছেন বলেও আমার জানা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫২৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৩সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عُبَيْدُ، اللَّهِ بْنُ أَبِي يَزِيدَ فِي هَذَا الإِسْنَادِ بِمِثْلِهِ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... উবায়দুল্লাহ ইবনু আবূ ইয়াযীদ (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩০, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৪সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعُ بْنُ الْجَرَّاحِ، عَنْ حَاجِبِ بْنِ عُمَرَ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ الأَعْرَجِ، قَالَ انْتَهَيْتُ إِلَى ابْنِ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - وَهُوَ مُتَوَسِّدٌ رِدَاءَهُ فِي زَمْزَمَ فَقُلْتُ لَهُ أَخْبِرْنِي عَنْ صَوْمِ عَاشُورَاءَ ‏.‏ فَقَالَ إِذَا رَأَيْتَ هِلاَلَ الْمُحَرَّمِ فَاعْدُدْ وَأَصْبِحْ يَوْمَ التَّاسِعِ صَائِمًا ‏.‏ قُلْتُ هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَصُومُهُ قَالَ نَعَمْ ‏.‏

    আবূ বকর ইবনু আবূ শয়বাহ্ (রহঃ) .... হাকাম ইবনু আ'রাজ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে পৌঁছলাম। এ সময় তিনি যমযমের কাছে চাঁদর বিছানো অবস্থায় বসা ছিলেন। তখন আমি তাকে বললাম, আমাকে আশুরা দিবসের সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন সম্পর্কে সংবাদ দিন। উত্তরে তিনি বললেন, মুহররম মাসের চাঁদ দেখার পর তুমি এর তারিখগুলো গুণে রাখবে। এরপর নবম তারিখে সওম অবস্থায় তোমার যেন ভোর হয়। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি সেদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ, করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩১, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৫সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ عَمْرٍو، حَدَّثَنِي الْحَكَمُ بْنُ الأَعْرَجِ، قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - وَهُوَ مُتَوَسِّدٌ رِدَاءَهُ عِنْدَ زَمْزَمَ عَنْ صَوْمِ عَاشُورَاءَ ‏.‏ بِمِثْلِ حَدِيثِ حَاجِبِ بْنِ عُمَرَ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ... হকাম ইবনু আ'রাজ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যমযমের কাছে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) চাঁদর বিছিয়ে বসে থাকা অবস্থায় আমি তাকে আশূরার দিবসে সওম পালন করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। এরপর তিনি হাজিব ইবনু উমার (রহঃ) এর হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ২৫৩২, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৬সহীহ

    وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ أُمَيَّةَ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا غَطَفَانَ بْنَ طَرِيفٍ الْمُرِّيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ، بْنَ عَبَّاسٍ - رضى الله عنهما - يَقُولُ حِينَ صَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ عَاشُورَاءَ وَأَمَرَ بِصِيَامِهِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ يَوْمٌ تُعَظِّمُهُ الْيَهُودُ وَالنَّصَارَى ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فَإِذَا كَانَ الْعَامُ الْمُقْبِلُ - إِنْ شَاءَ اللَّهُ - صُمْنَا الْيَوْمَ التَّاسِعَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَلَمْ يَأْتِ الْعَامُ الْمُقْبِلُ حَتَّى تُوُفِّيَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

    হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আশূরার দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেন এবং লোকদেরকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালনের নির্দেশ দেন, তখন সাহাবীগণ বললেন, ইয়া রসূলাল্লাহ! ইয়াহুদ এবং নাসারা এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে থাকে। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ আগামী বছর আমরা নবম তারিখেও সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব। বর্ণনাকারী বলেন, এখনো আগামী বছর আসেনি, এমতাবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইন্তিকাল হয়ে যায়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৭সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَيْرٍ، - لَعَلَّهُ قَالَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَئِنْ بَقِيتُ إِلَى قَابِلٍ لأَصُومَنَّ التَّاسِعَ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي رِوَايَةِ أَبِي بَكْرٍ قَالَ يَعْنِي يَوْمَ عَاشُورَاءَ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যদি আগামী বছর বেঁচে থাকি তবে মুহাররমের নবম তারিখেও সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব। আবূ বাকর (রহঃ) বলেন, নবম তারিখই হচ্ছে আশুরার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৮সহীহ

    حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا حَاتِمٌ، - يَعْنِي ابْنَ إِسْمَاعِيلَ - عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي، عُبَيْدٍ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، - رضى الله عنه - أَنَّهُ قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رَجُلاً مِنْ أَسْلَمَ يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَأَمَرَهُ أَنْ يُؤَذِّنَ فِي النَّاسِ ‏ "‏ مَنْ كَانَ لَمْ يَصُمْ فَلْيَصُمْ وَمَنْ كَانَ أَكَلَ فَلْيُتِمَّ صِيَامَهُ إِلَى اللَّيْلِ ‏"‏ ‏.‏

    কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিন আসলাম গোত্রের এক ব্যক্তিকে নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, সে যেন লোকদের মধ্যে এ কথা ঘোষণা করে যে, যে সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করেনি, সে যেন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে এবং যে আহার করেছে, সে যেন রাত পর্যন্ত তার সওম পূর্ণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৬৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ نَافِعٍ الْعَبْدِيُّ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ بْنِ لاَحِقٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ، بْنُ ذَكْوَانَ عَنِ الرُّبَيِّعِ بِنْتِ مُعَوِّذِ بْنِ عَفْرَاءَ، قَالَتْ أَرْسَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَدَاةَ عَاشُورَاءَ إِلَى قُرَى الأَنْصَارِ الَّتِي حَوْلَ الْمَدِينَةِ ‏ "‏ مَنْ كَانَ أَصْبَحَ صَائِمًا فَلْيُتِمَّ صَوْمَهُ وَمَنْ كَانَ أَصْبَحَ مُفْطِرًا فَلْيُتِمَّ بَقِيَّةَ يَوْمِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَكُنَّا بَعْدَ ذَلِكَ نَصُومُهُ وَنُصَوِّمُ صِبْيَانَنَا الصِّغَارَ مِنْهُمْ إِنْ شَاءَ اللَّهُ وَنَذْهَبُ إِلَى الْمَسْجِدِ فَنَجْعَلُ لَهُمُ اللُّعْبَةَ مِنَ الْعِهْنِ فَإِذَا بَكَى أَحَدُهُمْ عَلَى الطَّعَامِ أَعْطَيْنَاهَا إِيَّاهُ عِنْدَ الإِفْطَارِ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) .... রুবায়’ই বিনতু মু'আববিয ইবনু আফরা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার দিন ভোরে এক ব্যক্তিকে মদীনার পার্শ্ববর্তী আনসারী সাহাবীগণের জনপদে এ নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন, সে যেন এ ঘোষণা করে দেয় যে, সিয়াম (রোজা/রোযা)রত অবস্থায় যার ভোর হয়েছে, সে যেন তার সওমকে পূর্ণ করে। আর যার ইফত্বার অবস্থায় ভোর হয়েছে, সে যেন তার দিনের অবশিষ্ট অংশ পানাহার থেকে বিরত অবস্থায় পূর্ণ করে। এরপর আমরা এ দিন সওম পালন করতাম এবং আমাদের ছোট ছোট সন্তানদেরকেও আল্লাহ চাহে তো সওম পালনে অভ্যস্ত করে তুলতাম। আমরা তাদেরকে মসজিদে নিয়ে যেতাম এবং তাদের জন্য পশমের খেলনা বানিয়ে দিতাম। যখন তারা খাওয়ার জন্য কাঁদত, তখন আমরা তাদেরকে সে খেলনা প্রদান করতাম। এমনি করে ইফতারের সময় হয়ে যেত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭০সহীহ

    وَحَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو مَعْشَرٍ الْعَطَّارُ، عَنْ خَالِدِ بْنِ ذَكْوَانَ، قَالَ سَأَلْتُ الرُّبَيِّعَ بِنْتَ مُعَوِّذٍ عَنْ صَوْمِ، عَاشُورَاءَ قَالَتْ بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم رُسُلَهُ فِي قُرَى الأَنْصَارِ ‏.‏ فَذَكَرَ بِمِثْلِ حَدِيثِ بِشْرٍ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَنَصْنَعُ لَهُمُ اللُّعْبَةَ مِنَ الْعِهْنِ فَنَذْهَبُ بِهِ مَعَنَا فَإِذَا سَأَلُونَا الطَّعَامَ أَعْطَيْنَاهُمُ اللُّعْبَةَ تُلْهِيهِمْ حَتَّى يُتِمُّوا صَوْمَهُمْ ‏.‏

    ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... খালিদ ইবনু যাকওয়ান থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি রুবায়’ই বিনতু মু'আববিয (রাযিঃ) কে আশুরার সিয়াম (রোজা/রোযা) সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বার্তাবাহককে আনসারদের গ্রামে পাঠালেন ..... হাদীসের বাকি অংশ বিশর বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। শুধু এতটুকু ব্যতিক্রম রয়েছে, আমরা এদের জন্য পশম দিয়ে খেলনা তৈরি করতাম এবং এগুলো আমাদের সাথেই নিয়ে যেতাম। এরা আমাদের কাছে খাবার চাইলে আমরা এ খেলনা এদের হাতে দিতাম। এটা তাদেরকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পূর্ণ করা পর্যন্ত ভুলিয়ে রাখত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭১সহীহ

    وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدٍ مَوْلَى ابْنِ أَزْهَرَ أَنَّهُ قَالَ: شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فَجَاءَ فَصَلَّى ثُمَّ انْصَرَفَ فَخَطَبَ النَّاسَ فَقَالَ إِنَّ هَذَيْنِ يَوْمَانِ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ صِيَامِهِمَا يَوْمُ فِطْرِكُمْ مِنْ صِيَامِكُمْ وَالْآخَرُ يَوْمٌ تَأْكُلُونَ فِيهِ مِنْ نُسُكِكُمْ

    ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ইবনু আযহারের মুক্ত গোলাম আবূ উবায়দ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ঈদের দিন উমর ইবনু খাত্ত্বাব (রাযিঃ) এর সাথে উপস্থিত ছিলাম। তিনি এসে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় সমাপ্ত করে লোকদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। এতে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন, আর দ্বিতীয় হলো যেদিন তোমরা কুরবানীর গোশত খেয়ে থাক।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭২সহীহ

    وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ ‏.‏

    ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন- কুরবানীর ঈদের দিন আর ঈদুল ফিতরের দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৩৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৩সহীহ

    حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ، - وَهُوَ ابْنُ عُمَيْرٍ - عَنْ قَزَعَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، - رضى الله عنه - قَالَ سَمِعْتُ مِنْهُ، حَدِيثًا فَأَعْجَبَنِي فَقُلْتُ لَهُ آنْتَ سَمِعْتَ هَذَا، مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَأَقُولُ عَلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَا لَمْ أَسْمَعْ قَالَ سَمِعْتُهُ يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَصْلُحُ الصِّيَامُ فِي يَوْمَيْنِ يَوْمِ الأَضْحَى وَيَوْمِ الْفِطْرِ مِنْ رَمَضَانَ ‏"‏ ‏.‏

    কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... কাযা'আহ থেকে আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণিত। তিনি বললেন, আমি তার (আবূ সাঈদ) কাছে একটি হাদীস শুনলাম যা আমার অত্যন্ত পছন্দ হলো। আমি তাঁকে বললাম, আপনি এ হাদীস রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে শুনেছেন। তিনি বললেন, আমি যা শুনিনি এমন কথা তার নামে চালিয়ে দিতে পারি? এবার তিনি বললেন, আমি তাকে বলতে শুনেছিঃ দু'দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা সমীচীন নয়। কুরবানীর ঈদের দিন এবং রমযানে ঈদুল ফিতরের দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪০, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৪সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ الْمُخْتَارِ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، - رضى الله عنه - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ صِيَامِ يَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ النَّحْرِ ‏.‏

    । আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেনঃ ঈদুল ফিতরের দিন এবং কুরবানীর দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪১, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৫সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ جُبَيْرٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى ابْنِ عُمَرَ - رضى الله عنهما - فَقَالَ إِنِّي نَذَرْتُ أَنْ أَصُومَ يَوْمًا فَوَافَقَ يَوْمَ أَضْحَى أَوْ فِطْرٍ ‏.‏ فَقَالَ ابْنُ عُمَرَ رضى الله عنهما أَمَرَ اللَّهُ تَعَالَى بِوَفَاءِ النَّذْرِ وَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمِ هَذَا الْيَوْمِ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... যিয়াদ ইবনু জুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমর (রাযিঃ) এর কাছে এসে বলল, আমি একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করব বলে মানত করেছি। ঘটনাক্রমে ঐ দিনই ঈদুল আযহা বা ঈদুল ফিতরের দিন পড়েছে। ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, আল্লাহ তা'আলা মানত পূর্ণ করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪২, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৬সহীহ

    وَحَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ سَعِيدٍ، أَخْبَرَتْنِي عَمْرَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صَوْمَيْنِ يَوْمِ الْفِطْرِ وَيَوْمِ الأَضْحَى ‏.‏

    ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'টি দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন। ঈদুল ফিতরের দিন এবং ঈদুল আযহার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৭সহীহ

    وَحَدَّثَنَا سُرَيْجُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا خَالِدٌ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، الْهُذَلِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَيَّامُ التَّشْرِيقِ أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ ‏"‏ ‏.‏

    সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... নুবায়শাহ আল হুযালী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আইয়্যামে তাশরীক হচ্ছে পানাহার করার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৪, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৮সহীহ

    حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، - يَعْنِي ابْنَ عُلَيَّةَ - عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، حَدَّثَنِي أَبُو قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمَلِيحِ، عَنْ نُبَيْشَةَ، قَالَ خَالِدٌ فَلَقِيتُ أَبَا الْمَلِيحِ فَسَأَلْتُهُ فَحَدَّثَنِي بِهِ، فَذَكَرَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِ حَدِيثِ هُشَيْمٍ وَزَادَ فِيهِ ‏ "‏ وَذِكْرٍ لِلَّهِ ‏"‏ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নুবায়শাহ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, খালিদ বলেছেন, আমি আবূল মালীহি এর সাথে সাক্ষাৎ করে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করি, তিনি আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হুশায়মের হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসের মধ্যে অতিরিক্ত রয়েছে যে, “এ দিন আল্লাহকে স্মরণ করার দিন"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৭৯সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابِقٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنِ ابْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَهُ وَأَوْسَ بْنَ الْحَدَثَانِ أَيَّامَ التَّشْرِيقِ فَنَادَى ‏ "‏ أَنَّهُ لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ إِلاَّ مُؤْمِنٌ ‏.‏ وَأَيَّامُ مِنًى أَيَّامُ أَكْلٍ وَشُرْبٍ ‏"‏ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু কা'ব ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে। বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এবং আওস ইবনু হাদাসান (রাযিঃ) কে আইয়্যামে তাশরীকে একটি ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেন। অতঃপর তারা রসূলের বাণী ঘোষণা করে শুনিয়ে দিলেনঃ মু'মিন ব্যক্তি ছাড়া কেউই জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর মিনায় অবস্থানের দিনগুলো হচ্ছে পানাহার করার দিন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮০সহীহ

    وَحَدَّثَنَاهُ عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ، بْنُ طَهْمَانَ بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَنَادَيَا ‏.‏

    আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবরাহীম ইবনু ত্বহমান (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ সূত্রে উল্লেখ আছে তারা উভয়ে ঘোষণা করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮১সহীহ

    حَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ، بْنِ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ سَأَلْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - وَهُوَ يَطُوفُ بِالْبَيْتِ أَنَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ صِيَامِ يَوْمِ الْجُمُعَةِ فَقَالَ نَعَمْ وَرَبِّ هَذَا الْبَيْتِ ‏.‏

    ‘আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ইবনু জাফার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) যখন কা'বাহ ঘর প্রদক্ষিণ করছিলেন, আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কি জুমুআর দিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে নিষেধ করেছেন? তিনি বললেন, কা'বাহ ঘরের প্রভুর শপথ! হ্যাঁ, তিনি নিষেধ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮২সহীহ

    وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ، بْنُ جُبَيْرِ بْنِ شَيْبَةَ أَنَّهُ أَخْبَرَهُ مُحَمَّدُ بْنُ عَبَّادِ بْنِ جَعْفَرٍ، أَنَّهُ سَأَلَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ - رضى الله عنهما - بِمِثْلِهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রেও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একই হাদীস বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৪৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৩সহীহ

    وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، - وَاللَّفْظُ لَهُ - أَخْبَرَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي، هُرَيْرَةَ - رضى الله عنه - قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَصُمْ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلاَّ أَنْ يَصُومَ قَبْلَهُ أَوْ يَصُومَ بَعْدَهُ ‏"‏ ‏.‏

    আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহিমাহুমাল্লাহ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমুআর দিন কেউ যেন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন না করে। কিন্তু যদি কেউ জুমুআর দিনের আগে বা পরে একদিন সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে তাহলে সে জুমুআর দিন সিয়াম পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫০, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৪সহীহ

    وَحَدَّثَنِي أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، - يَعْنِي الْجُعْفِيَّ - عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ هِشَامٍ، عَنِ ابْنِ سِيرِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، - رضى الله عنه - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ تَخْتَصُّوا لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ بِقِيَامٍ مِنْ بَيْنِ اللَّيَالِي وَلاَ تَخُصُّوا يَوْمَ الْجُمُعَةِ بِصِيَامٍ مِنْ بَيْنِ الأَيَّامِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ فِي صَوْمٍ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ ‏"‏ ‏.‏

    আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাতগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র জুমুআর রাতকে জাগরণের (নৈশ ইবাদাতের) জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না, আর দিনগুলোর মধ্যে শুধু জুমুআর দিনকে সিয়ামের জন্য নির্দিষ্ট করে নিও না। তবে যদি তোমাদের কেউ সর্বদা (নাফল) সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করে আর এ সিয়ামের (ধারাবাহিকতার) মধ্যে জুমুআর দিন এসে যায় তাহলে ভিন্ন কথা। অর্থাৎ সে ঐদিন (নাফল) সিয়াম পালন করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫১, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৫সহীহ

    حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَكْرٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُضَرَ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ بُكَيْرٍ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، - رضى الله عنه - قَالَ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏{‏ وَعَلَى الَّذِينَ يُطِيقُونَهُ فِدْيَةٌ طَعَامُ مِسْكِينٍ‏}‏ كَانَ مَنْ أَرَادَ أَنْ يُفْطِرَ وَيَفْتَدِيَ ‏.‏ حَتَّى نَزَلَتِ الآيَةُ الَّتِي بَعْدَهَا فَنَسَخَتْهَا ‏.‏

    কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সালামাহ্ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, “যারা সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে সক্ষম (অথচ সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে চায় না) তারা ফিদইয়াহ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করবে" যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলো, কেউ যদি রমযানের সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করতে না চাইতো সে সিয়াম (রোজা/রোযা) ভাঙ্গত এবং তার পরিবর্তে ফিদইয়াহ্ আদায় করে দিত। অতঃপর এর পরবর্তী আয়াত অবতীর্ণ হলো এবং তা পূর্ববর্তী আয়াতের হুকুম মানসূখ (রহিত) করে দিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫২, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৬সহীহ

    حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ سَوَّادٍ الْعَامِرِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ، الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ، - رضى الله عنه - أَنَّهُ قَالَ كُنَّا فِي رَمَضَانَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ فَافْتَدَى بِطَعَامِ مِسْكِينٍ حَتَّى أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏{‏ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمُ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ‏}‏

    আমর ইবনু সাওওয়াদ আল আমিরী (রহঃ) ..... সালামাহ ইবনু আকওয়া (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে রমযান মাসে আমাদের মধ্যে যার ইচ্ছা হত সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করত আর যে চাইত ভঙ্গ করত এবং এর বিনিময়ে সিয়ামের ফিদইয়াহ হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দান করত। অবশেষে এ আয়াত নাযিল হলঃ “কাজেই আজ হতে যে ব্যক্তিই এ মাসের সম্মুখীন হবে তার জন্য এ পূর্ণ মাসের সিয়াম (রোজা/রোযা) পালন করা একান্ত কর্তব্য।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৩, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৭সহীহ

    حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي، سَلَمَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - تَقُولُ كَانَ يَكُونُ عَلَىَّ الصَّوْمُ مِنْ رَمَضَانَ فَمَا أَسْتَطِيعُ أَنْ أَقْضِيَهُ إِلاَّ فِي شَعْبَانَ الشُّغُلُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

    আহমাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবূ সালামাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছি, আমার রমযান মাসের সিয়াম (রোজা/রোযা) অবশিষ্ট থেকে যেত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে ব্যস্ত থাকার কারণে আমি শা'বান মাস ছাড়া অন্য কোন সময়ে তা আদায় করার সুযোগ পেতাম না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৪ , ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৮সহীহ

    وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ الزَّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ، بْنُ بِلاَلٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ وَذَلِكَ لِمَكَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

    ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) থেকে এ সূত্রেও উপরের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। তবে এ বর্ণনায় পার্থক্য এতটুকু যে, তিনি বলেছেন, আর রমযানের সিয়ামের কাযা আদায়ের ব্যাপারে শা'বান পর্যন্ত বিলম্ব করার কারণ হলো রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে নিযুক্ত থাকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৫, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৮৯সহীহ

    وَحَدَّثَنِيهِ مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، حَدَّثَنِي يَحْيَى، بْنُ سَعِيدٍ بِهَذَا الإِسْنَادِ وَقَالَ فَظَنَنْتُ أَنَّ ذَلِكَ لِمَكَانِهَا مِنَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ يَحْيَى يَقُولُهُ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ (রহঃ) এ সানাদেও উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি আরো বলেছেন, আমার মনে হয় তার এরূপ দেরী করার কারণ ছিল নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমাতে ব্যস্ত থাকা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৬, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৯০সহীহ

    وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، ح وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو النَّاقِدُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، كِلاَهُمَا عَنْ يَحْيَى، بِهَذَا الإِسْنَادِ وَلَمْ يَذْكُرَا فِي الْحَدِيثِ الشُّغْلُ بِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও আমর আন্‌ নাকিদ (রহঃ) ..... ইয়াহইয়া (রহঃ) থেকে এ সানাদে উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি এ বর্ণনায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খিদমাতে তার ব্যস্ত থাকার কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৭, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৯১সহীহ

    وَحَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّهَا قَالَتْ إِنْ كَانَتْ إِحْدَانَا لَتُفْطِرُ فِي زَمَانِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَمَا تَقْدِرُ عَلَى أَنْ تَقْضِيَهُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَتَّى يَأْتِيَ شَعْبَانُ ‏.‏

    মুহাম্মাদ ইবনু আবূ উমার আল মাক্কী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের (রসূলের স্ত্রীগণের) মধ্যে কেউ যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে সিয়াম (রোজা/রোযা) ভঙ্গ করত তাহলে সে শাবান মাস আসার পূর্বে কোন সময়ই রোযা করার সুযোগ পেত না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৮, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৯২সহীহ

    وَحَدَّثَنِي هَارُونُ بْنُ سَعِيدٍ الأَيْلِيُّ، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، - رضى الله عنها - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ صِيَامٌ صَامَ عَنْهُ وَلِيُّهُ ‏"‏ ‏.‏

    হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মৃত ব্যক্তির উপর কাযা সিয়াম (রোজা/রোযা) থাকলে তার অভিভাবক তার পক্ষ থেকে সিয়াম (রোজা/রোযা) পূর্ণ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৫৯, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৯৩সহীহ

    وَحَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، أَخْبَرَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، الْبَطِينِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - أَنَّ امْرَأَةً، أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ إِنَّ أُمِّي مَاتَتْ وَعَلَيْهَا صَوْمُ شَهْرٍ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ أَرَأَيْتِ لَوْ كَانَ عَلَيْهَا دَيْنٌ أَكُنْتِ تَقْضِينَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَدَيْنُ اللَّهِ أَحَقُّ بِالْقَضَاءِ ‏"‏ ‏.‏

    ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, আমার মা মারা গেছেন। তার এক মাসের রোযা বাকি আছে। তিনি বলেন, মনে কর তার (তোমার মায়ের) উপর যদি কোন ঋণ থাকত তাহলে কি তুমি তা পরিশোধ করতে? সে বলল, হ্যাঁ। এবার তিনি বললেন, তাহলে আল্লাহর ঋণ (বা পাওনা) পরিশোধিত হবার সবচেয়ে বেশী হাক (হক) রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৬০, ইসলামীক সেন্টার)

  • ২৬৯৪সহীহ

    وَحَدَّثَنِي أَحْمَدُ بْنُ عُمَرَ الْوَكِيعِيُّ، حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُسْلِمٍ الْبَطِينِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، - رضى الله عنهما - قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ أُمِّي مَاتَتْ وَعَلَيْهَا صَوْمُ شَهْرٍ أَفَأَقْضِيهِ عَنْهَا فَقَالَ ‏"‏ لَوْ كَانَ عَلَى أُمِّكَ دَيْنٌ أَكُنْتَ قَاضِيَهُ عَنْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَدَيْنُ اللَّهِ أَحَقُّ أَنْ يُقْضَى ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمَانُ فَقَالَ الْحَكَمُ وَسَلَمَةُ بْنُ كُهَيْلٍ جَمِيعًا وَنَحْنُ جُلُوسٌ حِينَ حَدَّثَ مُسْلِمٌ بِهَذَا الْحَدِيثِ فَقَالاَ سَمِعْنَا مُجَاهِدًا يَذْكُرُ هَذَا عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ‏.‏

    আহমাদ ইবনু উমার আল ওয়াকী'ঈ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমার মা মারা গেছেন এবং তার এক মাসের সিয়াম (রোজা/রোযা) বাকি আছে। আমি কি তার পক্ষ থেকে এটা আদায় করে দিব? তখন তিনি বললেন, যদি তোমার মায়ের উপর ঋণ থাকত তাহলে তুমি কি তা তার পক্ষ থেকে পরিশোধ করে দিতে? সে বলল, হ্যাঁ। এবার তিনি বললেন, তাহলে আল্লাহর ঋণ তো পরিশোধিত হবার সবচেয়ে বেশী দাবীদার। সুলায়মান বলেন, হাকাম ও সালামাহ্ ইবনু কুহায়ল উভয়ই বলেছেন, যখন মুসলিম আল বাত্বীন এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন তখন আমরা উভয়ই সেখানে বসা ছিলাম। অতঃপর তারা উভয়ই বলেন, আমরা মুজাহিদকে এ হাদীসটি ইবনু আব্বাসের সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৫৬১, ইসলামীক সেন্টার)

সহীহ মুসলিম – খণ্ড ১৩ (পৃষ্ঠা ৪) | উল্কা ইসলাম