খতম পরিকল্পনা
কুরআন পুরোটা পড়ার পরিকল্পনা করুন। শেষ তারিখ বা প্রতিদিনের পরিমাণ বেছে নিন, আর দেখুন আজ ঠিক কতটুকু পড়বেন।
আপনার পরিকল্পনা
এখনো কোনো পরিকল্পনা নেই। উপরে একটি তৈরি করুন; এটি এই ডিভাইসে থাকবে (সাইন ইন করলে সিঙ্ক হবে)।
কুরআন আকাশ
প্রতিটি পারা শেষ করলে একটি নক্ষত্রপুঞ্জ জ্বলে ওঠে।
৩০ পারার মধ্যে ০টি সম্পন্ন
খতম পরিকল্পনা কীভাবে কাজ করে
খতম মানে সূরা আল-ফাতিহা থেকে সূরা আন-নাস পর্যন্ত পুরো কুরআন একবার পড়া। কুরআনে ১১৪টি সূরায় ৬,২৩৬টি আয়াত এবং ৩০টি পারা আছে, তাই যেকোনো পরিকল্পনা আসলে ভাগ: যত আয়াত বাকি, তা বাকি দিনগুলোয় ভাগ করা।
এই প্ল্যানার সেই হিসাব আপনার হয়ে করে এবং বারবার নতুন করে করে। একদিন বাদ পড়লে বকা দেয় না; বরং দেখায় নতুন কত করে পড়লে তারিখেই শেষ হবে, অথবা তারিখ সরানোর সুযোগ দেয়।
অগ্রগতি দুইভাবে এগোয়। অংশটুকু পড়া হলে আজকের পড়া সম্পন্ন চাপুন, অথবা শুধু কুরআন রিডারে পড়ুন: শেষ পড়ার অবস্থান পরিকল্পনাকে ছাড়িয়ে গেলে পরিকল্পনাও এগিয়ে যায়।
প্রচলিত খতম পরিকল্পনা
| শেষ হবে | প্রতিদিন | আনুমানিক সময় |
|---|---|---|
| ৩০ দিনে | ১ পারা (প্রায় ২০৮ আয়াত) | প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট |
| ৬০ দিনে | আধা পারা (প্রায় ১০৪ আয়াত) | প্রায় ১৫ থেকে ২০ মিনিট |
| ৯০ দিনে | প্রায় ৭০ আয়াত | প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট |
| ১ বছরে | প্রায় ১৭ আয়াত | প্রায় ৫ মিনিট |
যে পরামর্শে পরিকল্পনা টিকে থাকে
- পড়াকে কোনো নামাজের সাথে জুড়ে নিন। অনেকে ফজরের বা মাগরিবের পরে পড়েন।
- সপ্তাহে একদিন বেশি পড়ার চেয়ে প্রতিদিন অল্প পড়া ভালো।
- বোঝা জরুরি: পড়ার সাথে অনুবাদও দেখুন।